চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

admin

রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদী থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার 

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-২৩ ০১:২৯:৫৫ || আপডেট: ২০১৮-০৭-২৩ ০১:২৯:৫৫

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি:

রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদী থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  রবিবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তার লাশ স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে দুপুর ১টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।  নিহত যুবকের নাম মো. রাজু (২৪)।  সে উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড ব্রহ্মোত্তর এলাকার নুরুল আলমের পুত্র। তার লাশ পোষ্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নিহত রাজু ছোটবেলা থেকে তার নানার বাড়ি উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের আধুরপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের বাড়িতে থাকতো।  বন্ধুদের সাথে গাছের ব্যবসা ছিল তার।  গত শুক্রবার দুপুরে এক বন্ধুর ফোন পেয়ে তার নিজ বাড়ি ব্রহ্মোত্তর থেকে ভাত খেয়ে বের হয় সে।  সন্ধ্যা ৭টার দিকে সে সহ তার অপর দুই বন্ধু চন্দ্রঘোনা আধুরপাড়া এলাকার মৃত আইয়ুব আলী মল্লার পুত্র মো. মোবারক (২৫) ও মৃত মো. ইসমাঈলের পুত্র মো. রহিম (২৩) কোদালা ইউনিয়নের বাজারঘাট এলাকায় গিয়ে ঐ এলাকার মো.করিমের সাথে দেখা করে।  সেখানে তারা একসাথে মদ পান করে।  করিমের সাথে এই তিন বন্ধুর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।  এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে তাদের তিনজনকে লাঠি ও বাঁশ দিয়ে বেদম মারধর করে।  খবর পেয়ে কোদালা বিট পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মো. রহিমকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলেও নিখোঁজ থাকে রাজু ও মোবারক।  ঘটনার একদিন পর শনিবার কর্ণফুলী নদীর বালুগোট্টা এলাকায় নদীর পাড় থেকে উলঙ্গ ও আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে ঘরে পৌছে দেন মো. মোবারককে। এদিকে দুইদিন ধরে নিখোঁজ রাজুকে খুঁজতে থাকে স্বজনরা।  বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের কাছে খোঁজ নিয়েও পাওয়া যায় না তাকে।  পরে নিখোঁজের দুইদিন পর রবিবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে কর্ণফুলী নদী থেকে তার লাশ পাওয়া যায়।  স্থানীয়রা ধারণা করছেন, তাকে নৃশংসভাবে খুন করে কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি ইমতিয়াজ মোহাম্মদ আহসানুল কাদের ভূঁঞা বলেন, ‘লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।  এই বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *