আলাউদ্দিন
ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৬ ১৬:০৮:৩৬ || আপডেট: ২০১৮-০৯-১৬ ১৬:০৮:৩৬
অনলাইন ডেস্ক :
তেল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষায় নতুন শ্রম আইনে হয়রানির সুযোগ থেকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন দেশটিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা।
২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার পর থেকেই কাতারে অভিবাসী শ্রমিকদের হয়রানির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। শ্রমিকদের তীব্র চাপের মধ্যে গত বছর শ্রমিকদের সুরক্ষায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।
শ্রমিক সুরক্ষায় এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে সাময়িকভাবে মাসিক ন্যূনতম বেতন ৭৫০ রিয়াল (২০০ ডলার) এবং অভিবাসী শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানে একটি কমিটি করা। এছাড়া বিদেশি শ্রমিকদের দেশত্যাগের জন্য চাকরিদাতার অনুমতি নেয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া।
এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-র দোহা অফিসের প্রধান হুতান হোমায়ুনপুর মনে করছেন দেশ ছাড়ার অনুমতি বাতিল শ্রমিকদের অসহায়ত্ব লাঘবে বিরাট ভূমিকা রাখবে। পূর্বের থেকে এখন তারা অনেকটাই স্বাধীন। তারা এখন যেকোনো জায়গায় যেতে পারবে।
তবে দেশটিতে হয়রানি থেকে তাদের রক্ষায় এসব পরিবর্তন যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন কর্মরত প্রায় ২০ লাখ বিদেশি শ্রমিকের অনেকেই। কর্মীদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, প্রায়ই তাদের অতিরিক্ত সময় খাটানো হয়, যা সরকারের পক্ষে জানা সম্ভব নয়।
বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত দেশটির সুপ্রিম কমিটি ফর ডেলিভারি অ্যান্ড লিগাসি গত বছর একটি অনুসন্ধান চালিয়ে দেখতে পায়, এশিয়ার শত শত শ্রমিক বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ পেতে তিন হাজার ৮০০ ডলার পর্যন্ত রিক্রুটমেন্ট ফি দিয়েছে। কিন্তু কাতারে কাজে নিয়োগের জন্য রিক্রুটমেন্ট ফি নেয়া অবৈধ।
এদিকে কাতারের শ্রম বিষয়ক মন্ত্রী ঈসা আল-নুয়াইমি বলেছেন, মানবপাচার বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।সাধারণত বাইরের দেশগুলোতেই অবৈধ রিক্রুটমেন্ট ফি নেয়া হয়ে থাকে।