বীর কন্ঠ
ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-২২ ১২:৪৪:৪৩ || আপডেট: ২০১৮-০৯-২২ ১২:৪৪:৪৩
বীর কন্ঠ ডেস্ক:
‘প্রধান বিচারপতির কাছে তো বন্দুক নেই। রাষ্ট্রের বন্দুকধারিরা যদি তাঁর দিকে বন্দুক তাক করে দেশের বাহিরে যেতে বাধ্য করে তখন তিনি কি করবেন ? তখন তিনি বিদেশে গিয়ে লিখবেন নাকি গণভবনে সবুজ লনে বসে লিখবেন? আওয়ামী লীগ সরকারের লোকেরা একজন নিরস্ত্র প্রধান বিচারপতিকে সন্ত্রাসীদের কায়দায় বন্দুকের নলের মুখে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়। এটা কোন বীরের কাজ নয়, এটি কাপুরুষের কাজ।’ ,
শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে বিচার বিভাগ একটি স্বাধীন সংস্থা। অথচ বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী-উপদেষ্টারা কথা বলার নামে এমন আচরণ করেছেন যেন তারা প্রধান বিচারপতিকে রিমান্ডে নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব তাঁকে বঙ্গভবনে ডেকে নিয়ে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সামনে যেভাবে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীরা ধমকাধমকি করেছেন তা সন্ত্রাসী আক্রমণেরই সমতূল্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি তাঁর বইয়ে লিখেছেন যে, ক্ষমতাসীন সরকারই তাকে পদত্যাগে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেছে। সুতরাং নির্যাতিত এস কে সিনহা সাহেব কি আওয়ামী লীগের মৌসুম দেখে বই প্রকাশ করবেন? ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন-‘প্রধান বিচারপতি সাবেক হয়ে গেছেন, সাবেক হওয়ার অন্তর্জালা আছে।’ আপনারা তো বন্দুকের নল ঠেকিয়ে এস কে সিনহা সাহেবকে সন্ত্রাসী কায়দায় সাবেক হওয়ার আগেই সাবেক করেছেন। তাই সত্য কথা লিখাতে অন্তর্জালা হচ্ছে আপনাদের।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘যদি ভোটারবিহীন ক্ষমতাসীন সরকার দেশের প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে ও নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে তাহলে প্রশাসন, আইন আদালতকে বাধ্য করে বিচারকের কাছ থেকে মামলা ফেরত এনে সম্পূরক চার্জশীটে তারেক রহমানের নাম জড়ানো তো কঠিন কাজ নয়। গণবিরোধী অবৈধ সরকার যেকোন কাজই করতে পারে।’