এস. এম. রাশেদ
চন্দনাইশ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১০-০৪ ২৩:০০:১৭ || আপডেট: ২০১৮-১০-০৪ ২৩:০০:১৭
এসএম রাশেদ,চন্দনাইশ :
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া বাসষ্টেশনে গত ২ অক্টোবর রাত ৯টায় কান্নারত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া ৭ বছরের পায়েল নামের এক মেয়েকে নিয়ে শ্যামলী গাড়ীর সুপার ভাইজার মোঃ রিয়াদ বিপাকে পড়ছেন। গত ৩দিন ধরে মেয়েটি তার সঠিক বাড়ীর ঠিকানা বলতে না পারায় তার পরিবারকে ফিরে দেওয়ার জন্য রিয়াদ মেয়েটিকে নিয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টায় দোহাজারী বাসষ্টেশনে মেয়েটিকে কেউ ছিনে কিনা দেখতে এসে কথা হয় মোঃ রিয়াদের সাথে। সে জানান, তিনি শ্যামলী গাড়ীর সুপার ভাইজার গত ২ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী শ্যামলী গাড়ী (চট্টমেট্টো-থ-১১-২১৬৫) যাচ্ছিল চকরিয়া বাসষ্টেশনে কাউন্টারে গাড়ী থামানো হলে সেখানে একটি মেয়ে কান্নাকাটি করছিল। কান্নার আওয়াজে মেয়েটির কাছ থেকে জিজ্ঞেস করলে মেয়েটি কিছুণ বলে বড়দুয়ারা আবার বলে দোহাজারী। পরে মেয়েটিকে গাড়ী করে দোহাজারী বাসষ্টেশনে এনে কয়েকজনের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করলে তারাও ছিনেননা বলে জানান। মেয়েটিও তার সঠিক এলাকার নাম বলতে না পারায় সুপার ভাইজার রিয়াদ মেয়েটিকে নিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম শহরের নতুন চান্দগাঁও থানার মুখ ভান্ডারী কলোনীর ২নং বাসায় থাকা তার বোনের বাড়ীতে নিয়ে যায়। পরেরদিন গাড়ীতে না গিয়ে চকরিয়া দুলাহাজারা এলাকায় নিয়ে আসে সেখানেও তার পরিচয় মেলেনী। পরে লোহাগাড়া থানায় একটি জিড়ি দায়ের করেন। পরদিন ৪ অক্টোবর দোহাজারীর পথে প্রান্তরে ঘুরে ঘুরে তার পরিচয় মেলাতে পারেনী। অবশেষে মেয়েটিকে নিয়ে আবারও শহরের বোনের বাসায় নিয়ে যায়। মেয়েটি শুধু বলছেন তার নাম পায়েল পিতার নাম জাগের হোসেন, মাতার নাম লায়লা বেগম, সে ২য় শ্রেনীর ছাত্রী। তবে স্কুলের নামও বলতে পারছেন না এবং সে পিতা-মাতার সাথে বেড়াতে এসে হারিয়ে গেছে। কোন এলাকায় তার বাড়ী তাও সঠিক বলতে পারছেন না। সুপার ভাইজার রিয়াদ বলেন, মেয়েটিকে গাড়ীতে নিয়ে তার পরিচয় না পাওয়ায় গত ২দিন ধরে গাড়ীতে চাকুরী করতে পারছেন না। এতে যদি ছোট শিশুটির জন্য তার গাড়ীর চাকুরী চলে যায় তাও তার কষ্ট হবে না। যদি শিশু মেয়েটির বাড়ী খোঁজ পেয়ে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে পারলে সে খুশি হবেন। কেউ যদি মেয়েটিকে চিনেন এবং সঠিক পরিচয় পান তাহলে ০১৮৭৬৪৭৬৯১৪ মোবাইল করলে সে মেয়েটিকে বাড়ীতে নিয়ে দিয়ে আসবেন।