এস. এম. রাশেদ
চন্দনাইশ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১০-০৬ ১৯:১৬:১৬ || আপডেট: ২০১৮-১০-০৬ ১৯:১৬:১৬
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া বাসষ্টেশনে গত ২ অক্টোবর রাত ৯টায় কান্নারত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া ৭ বছরের পায়েল নামের এক শিশু কন্যাকে শ্যামলী গাড়ীর সুপার ভাইজার মোঃ রিয়াদ গত ৫দিন পথে পথে ঘুরে অবশেষে ৬ অক্টোবর দুপুরে চকরিয়া থানা পুলিশের সহযোগীতায় স্থান পেল কক্সবাজার শেখ রাসেল শিশু প্রশিণ ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে।
উলেখ্য, শ্যামলী গাড়ীর সুপার ভাইজার রিয়াদ গত ২ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী শ্যামলী গাড়ী যোগে (চট্টমেট্টো-থ-১১-২১৬৫) যাচ্ছিল চকরিয়া বাসষ্টেশনে কাউন্টারে গাড়ী থামানো হলে সেখানে একটি মেয়ে কান্নাকাটি করছিল। এসময় গাড়ীর সুপার ভাইজার রিয়াদ কান্নার আওয়াজে মেয়েটির কাছ থেকে জিজ্ঞেস করলে মেয়েটি কিছুণ বলে বড়দুয়ারা আবার বলে দোহাজারী। পরে মেয়েটিকে গাড়ী করে দোহাজারী বাসষ্টেশনে এনে কয়েকজনের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করলে তারাও ছিনেননা বলে জানান। পরে মেয়েটি সঠিক এলাকার নাম বলতে না পারায় সুপার ভাইজার রিয়াদ মেয়েটিকে নিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম শহরের নতুন চান্দগাঁও থানার মুখ ভান্ডারী কলোনীর ২নং বাসায় থাকা তার বোনের বাড়ীতে নিয়ে যায়। পরেরদিন গাড়ীতে না গিয়ে চকরিয়া দুলাহাজারা এলাকায় নিয়ে আসে সেখানেও তার পরিচয় মেলেনী। পরে লোহাগাড়া থানায় একটি জিড়ি দায়ের করেন। পরদিন ৪ অক্টোবর দোহাজারীর পথে প্রান্তরে ঘুরে ঘুরে ও তার পরিচয় মেলাতে পারেনী। অবশেষে মেয়েটিকে নিয়ে আবারও শহরের বোনের বাসায় নিয়ে যায়। মেয়েটি শুধু বলছেন তার নাম পায়েল পিতার নাম জাগের হোসেন, মাতার নাম লায়লা বেগম, সে ২য় শ্রেনীর ছাত্রী। তবে স্কুলের নামও বলতে পারছেন না এবং সে পিতা-মাতার সাথে বেড়াতে এসে হারিয়ে গেছে বলে জানান। পরে মেয়েটি বলেন তাকে যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে নিয়ে গেলে তার বাড়ী চিনতে পারবে ৬ অক্টোবর সকালে চকরিয়ায় মেয়েটিকে নিয়ে আনারপরও মেয়েটি কাঁদছে কিন্তু কোন পথ দেখিয়ে দিতে পারছেন না। পরে রিয়াদ চকরিয়া থানায় পায়েলকে গেলে থানা পুলিশের সহযোগীতায় এবং চকরিয়া উপজেলা সমবায় অফিসার হামিদুলাহ মিয়ার পরামর্শে থানা পুলিশ ক্সবাজার শেখ রাসেল শিশু প্রশিণ ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে দিয়ে আসে বলে জানান সুপার ভাইজার রিয়াদ।