আবদুল হাকিম রানা
পটিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১০-১২ ২৩:৫৮:৩৪ || আপডেট: ২০১৮-১০-১২ ২৩:৫৮:৩৪
আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ :
পটিয়া পৌর সদরের সুচক্রদন্ডী মিলন মন্দির সমিতি প্রতি বছর দুর্গোৎসবে নানা বৈচিত্র নিয়ে হাজির হয়। এবারও তারা দুর্গোৎসবকে প্রাণবন্ত করতে এর অবয়ব নির্মাণ করেছে ভারতের দিল্লীর লোটাস টেম্পোলের আদলে। এটির পরিকল্পনা ও নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন মিলন মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন বিশ্বাস। তাকে এটি নির্মাণে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন ২০ জন শ্রমিক। বিগত দেড় মাস ধরেই তারা এটি নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান। বর্তমানে প্রতিমা সহ মন্দিরের অবয়ব নির্মাণ কাজ প্রায় ৯৫ ভাগ শেষ। আগামী সোমবার থেকে ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব আনুষ্ঠানিক শুরুর দিনেই এ মন্ডপের দুর্গোৎসবে নান্দনিক এ প্রয়াস আশার বাণী ছড়াবেন বলেই উদ্যোক্তাদের আশাবাদ। তারা জানান, প্রতি বছর এ উৎসবে সুচক্রদন্ডী মিলন মন্দির সমিতি নতুন নতুন থিম নিয়ে হাজির হয়। এবার ভারতের দিল্লীর লোটার টেম্পোলের আদলে নির্মিত উৎসবের থিম সকলের নজর কাড়বে বলেই বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য্য জানান। মিলন মন্দির সমিতির সভাপতি হরিপদ দে বলেন, আমরা প্রতি বছর দুর্গোৎসবে দূর্গা মাকে স্বাগত জানাতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে থাকি। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের আয়োজন সকলের প্রশংসা পাবে বলেই আমার বিশ্বাস। সুচক্রদন্ডী মিলন মন্দির সমিতির পূজা কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা দেবর্ষী চক্রবর্ত্তী বলেন, মিলন মন্দির সমিতির দুর্গোৎসবে সব সময় একটা বৈচিত্রতা থাকে। এবারও আমরা নান্দনিক আয়োজনের মাধ্যমে পূজার দর্শণার্থীদের মনবাসনা পূরণে সচেষ্ট আছি। সাধারণ সম্পাদক স্বপন দে বলা বলেন, আমাদের উৎসবে নতুনত্বের সমারোহ বিরাজমান থাকে। আমরা চাই দর্শণার্থীরা মায়ের আরাধনার পাশাপাশি অসুরের বিরুদ্ধে যেমন প্রতিবাদী হবে তেমনি নিজেদেরকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। সুচক্রদন্ডী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সমাজসেবী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এখানে ধর্ম যার যার উৎসব সবার এ ব্রতে পরস্পর সহবস্থানে বসবাস করে থাকি। এখানে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পরস্পর সম্প্রীতি বিরাজমান। আমরা দুর্গোৎসবে এর ধারাবাহিকতা রক্ষার মাধ্যমে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সহ সব ধর্মের মাঝে শান্তির মেল বন্ধন রচনায় এগিয়ে যাব। ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়র রূপক সেন বলেন, এখানে সব ধর্মের মানুষ দুর্গোৎসবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামিল হয়। সবাই একে অপরের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন নিয়ে এগিয়ে যায়। এবারও এর ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকবে এই প্রত্যাশায় করি। তিনি পূজায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান।