প্রকাশ: ২০১৮-১০-২০ ২১:২৯:২৮ || আপডেট: ২০১৮-১০-২০ ২১:২৯:২৮
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি :
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার স্্েরাতস্বীনি ইছামতি নদীতে বেপরোয়া ভাবে অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত তিনটি খনন যন্ত্র পুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ইছামতি নদীর তীরে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় সম্প্রতি এলাকাবাসী নদীতীরে মানব বন্ধন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এরপরও বালু দস্যুরা বেপরোয়া ভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখেন। রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিমের দায়িত্ব পালন করেন। গতকাল শনিবার (২০ অক্টোবর) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নে ইছামতি নদীর লাঠিছড়া ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে প্রথম ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ইছামতি নদী থেকে অবৈধ ভাবে খনন যন্ত্র বসিয়ে বালু উত্তোলনের সময় যুবলীগ নেতা হেলালের মালিকানাধীন একটি ড্রেজার মেশিন উচ্ছেদ করে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেন। সেখান থেকে অর্ধ কিলোমিটার দুরে ইছামতি নদীর উজানে চৌধুরীর দোকান এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাজিমের মালিকানাধীন আরো একটি খনন যন্ত্র উচ্ছেদ করে আগুনে পুড়িয়ে দেন। এরপর ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালান উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ফুলবাগিছা এলাকায়। সেখানেও ইছামতি নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তুলছে দস্যুরা। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত আসার খবর পেয়ে তারা খনন যন্ত্র সরিয়ে নেন। তবে আদালত গিয়ে প্রায় দুই’শ ফুট প্লাস্টিকের পাইপ কেটে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করে দেন। ভ্রাম্যমান আদালতকে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে গেলেও খনন যন্ত্র গুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়। ইছামতি নদীর ভাঙ্গনরোধ করতে বালুদস্যুদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।