রফিকুল আলম
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১০-২২ ১৯:৩৯:৫৯ || আপডেট: ২০১৮-১০-২২ ১৯:৪৩:১৬
রফিকুল আলম,ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির খিরাম ইউনিয়ন আন্দোলন ও খাল হতে অবৈধ বালি পাচার বন্ধে প্রশাসনকে সহযোগিতা করায় ছুরিকাঘাতে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী আলী আকবর ফয়সল হত্যাকান্ডের জের ধরে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে বাদী-বিবাদী দু’পক্ষই। বিবাদী পক্ষের দাবী- ‘পূর্ব শত্রুতা’ হাসিলেই ফয়সল হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে তাদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর, লুটতরাজ এবং অগ্নিসংযোগ দেয়া হয়েছে। বাদী পক্ষ বলছে- খুনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত দেখে উত্তেজিত বিক্ষুদ্ধ জনতাই ঘর-বাড়ীতে আগুন দিয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর রাতে ফটিকছড়ির নবগঠিত খিরাম ইউপির হচ্ছারঘাট এলাকায় ফয়সল নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে জনসমক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ জনতা খুনী ও তাদের সহযোগীদের ঘর-বাড়ী ভাংচুর এবং আগুনে জ¦ালিয়ে দেয়।
হত্যার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক আসামীদের সর্বোচ্চ সাজা দাবী এবং এলাকার নীরহ মানুষদের জড়িয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ২২ অক্টোবর নাজিরহাট পৌরসভার স্থানীয় জারিয়া কমউিনিটি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন করে। নিহত ফয়সলের পরিবার এবং গ্রামবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবেক ইউপি মেম্বার আব্দুল লতিফ বলেন, প্রতিবাদী ছাত্রলীগ নেতা আলী আকবর ফয়সলকে প্রকাশ্য খুনের ঘটনা দেখতে পেয়ে উত্তেজিত জনতা খুনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে জড়িত ইউনুছ মিয়া মনা, আবু তাহের, নুরুল আলম সওদাগর, মুহাম্মদ ইব্রাহিম মনির, মুহাম্মদ রফিক ও মুহাম্মদ সরোয়ারের বসতঘরে আগুন দিয়েছে। আমি ওইদিন এলাকাও ছিলাম না। অথচ আমাকে ও আমার ছেলেদের এবং নিহত ফয়সল হত্যা মামলার বাদী ফারুকসহ এলাকাবাসীকে জড়িয়ে আসামী পরিবার মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে থানায়-কোর্টে অভিযোগ করেছে এবং সংবাদ সম্মেলন করে এলাকার শান্তিপ্রিয় জনতাকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। মূলত ফয়সল হত্যা ধামাচাপা দেয়ার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গ্রামবাসীকে হয়রানি করার মানসে তারা অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এখনো ফয়সল হত্যার কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। তাই আমরা ফয়সল হত্যার আসামীদের অতিদ্রুত গ্রেফতার দাবী করছি। এ সময় ফয়সলের পিতা আব্বাস আলী, চাচা মোহাম্মদ ফারুক, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সোলায়মান, ডা. সাধন চন্দ্র শীল, সাবেক মেম্বার আব্দুস সালাম, আবু তাহের, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জামাল উদ্দীন, ছাত্রনেতা সোহরাব হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।