চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

প্রদীপ শীল রাউজান প্রতিনিধি

দুর্দিনে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা স্মৃতি সাবেক ছাত্রনেতা দিদারুল আলমের কাছে শুধুই স্বপ্ন

প্রকাশ: ২০১৮-১০-২৭ ১৮:৫৬:৪৪ || আপডেট: ২০১৮-১০-২৭ ১৮:৫৬:৪৪

প্রদীপ শীল, রাউজান:

বর্তমান সময়ে আদর্শিক রাজনীতি বিলুপ্তির পথে। যারা আদর্শিক রাজনীতি বুকে ধারণ করে এখনো পষর্ন্ত দেশ মাতৃকার জন্য কাজ করছে তারা দলের কাছে অনেকটা কোন্ঠাসায়। তারপরও এসব নেতাকর্মী নানা প্রতিকূলতা উপক্ষো করে দুঃসময়ে দেশ ও দলের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পরে রজপথে। তেমনি একজন রাজনৈতিক রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের আলহাজ¦ দিদারুল আলম গুন্নু। একাকায় প্রচার আছে তিনি গরীবের বন্ধু। মিষ্টি ভাষী ও সদা মনের এই রাজনৈতিক ৮০ দশকে রাজনীতিতে প্রবেশ করে হলদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ১৯৮৬ সালের পর রাউজান রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয় পুরো এলাকা জুড়ে। মাঠে নামে বিলুপ্ত এনডিপি নামে এক ভয়ংকর রাজনৈতিক দল। দলটি ত্রাস শুরু করে রাউজানসহ উত্তর চট্টগ্রামে। দলটির নিয়ন্ত্রণ চলে নগরীর গুডহিল পাহাড় থেকে। বেঁচে বেঁচে হত্যা করা হয় স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রগতিশীল কর্মীদের। এসময় দিদারুল আলম ছিল হলদিয়া ইউনিয়নে এনডিপির প্রতিপক্ষ। তিনি ছাত্রলীগ যুবলীগকে সু-সংগঠিত করে সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বারবার। দল বদলের রাজনীতির খেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের নেতৃত্বস্থানীয় নেতারা কখনো মুসলিম লীগ, কখনো এনডিপি আবার কখনো জাতীয় পাটির রাজনীতিতে সক্রিয়তায়, সেসময়ে দিশাহারা হয়ে পড়ে প্রগতিশীলরা। তখন অস্ত্র ও পেশিশক্তির কাছে পরাজিত হয়ে ১৯৯২ সালের দিকে দিদারুল আলম পাড়ি জমাই সুদুর সৌদ্দি আরবে। জম্ম ভূমি ছেড়ে ঘুরে দাঁনোর চেষ্টায় সৌদ্দি আরবস্থ জেদ্দায় শুরু করেন ব্যবসা। সেখানেও রাজনীতির নেশা ছাড়তে পারেনি তাকে। সিনিয়র নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে শুরু করেন মূল ধারার রাজনীতি। সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয়ে ১৯৯৫ সালের দিকে তিনি জেদ্দা সিটি আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়। এক পর্যায়ে সৌদ্দিতে হজ¦ ও ওমরাহ পালন করতে আসা এক সময়ের বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দর্শন পায় দিদারুল আলম। প্রিয় নেত্রী সৌদ্দি আরবে আসলেই তাকে দেখ ভালোর দায়িত্ব করতেন দিদার। নেত্রীর সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও ব্যাক্তিগত সম্পর্ক সৃষ্টি হয় দিদারের সাথে। কিন্তু দীর্ঘ সময় সৌদ্দি আরবে থাকার পর ব্যবসায়ী লোকসানে পড়ে দেশে ফিরতে হয় দিদারকে। আর্থিক সংকটে পড়ে পুনরায় ঘুড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টায় পাড়ি দেয় আরব আমিরাতের দেশ দুবাইতে। সৌদ্দিতে থাকাকালিন তিনি এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করেন বহু অর্থ। গরীবকে দেন অর্থ সাহার্য্য।ে স্কুল, মসজিদ, রাস্তা, যাত্রী চাউনিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের রয়েছে তার আর্থিক সহযোগিতা। দানশীল দিদার পেয়ে যায় গরীবের বন্ধু উপাধি। নিজ জম্ম ভূমি হলদিয়ার রাজনীতির সাথে মিশে থাকা এই কর্মবীর চেয়েছিলেন হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হতে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করা সাদা মনের মানুষ খ্যাত আলহাজ¦ দিদারুল আলম গুন্নু জানান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতিতে আপোষ করি নাই। দলের প্রতি আন্তা ও নেত্রীর প্রতি অবিচল ভালবাসায় দেশের জন্য কাজ করেছি। রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী পরামর্শে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। তিনি জানান, সৌদ্দি আরবে আওয়ামীলীগের সভানেত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা আসলে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। দলের সাথে আমার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। দেশের রাজনীতিতে র্দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে আমার। রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল আমাকে ভাল বেেসন। আমরা একই এলাকার লোক। মিলেমিশে আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করছি। তিনি আগামী ইউপি নির্বাচনে নির্বাচন করার সিন্ধানের কথা জানিয়ে বলেন, আমি বড় নেতা হতে চায় না। শুধু জম্মস্থানের প্রিয় মানুষ গুলোর কল্যাণে কাজ করতে চায়। জানা যায়, দিদারুল আলম বর্তমানে দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন পর পর দেশে আসেন। এসে মানবিক কল্যালে কাজ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *