বেলাল আহমদ
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১০-৩০ ১৮:০১:৪৮ || আপডেট: ২০১৮-১০-৩০ ১৮:০১:৪৮
বেলাল আহমদ:
বান্দরবানের লামায় মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে লামা পৌর টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত লামা পৌর বাস টার্মিনালের শুভ উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার এক সরকারি সফরে লামায় আসেন। সারাদিন লামায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের নানা উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি নুনারবিল মডেল, কুমারী রাঙ্গাঝিরি ও সরই হাছনা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল কর্মসূচীর উদ্বোধন, লাইনঝিরি বিএটিবি’র ব্যবস্থাপনায় চাষীদের মাঝে উন্নত বীজ বিতরণ, লামা পৌরসভার মধুঝিরিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন, লামা পৌর বাস টার্মিনালের উদ্বোধন ও নুনারবিল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব এবং এক অভিভাবক সমাবেশে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন।
লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো, আবু হাসান ছিদ্দিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ, সাবেক বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংক্যচিং মার্মা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. ইসমাইল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, তিংতিং ম্যা, ফাতেমা পারুল, মোস্তফা জামাল, মোজাম্মেল হক বাহাদুর, নুনারবিল মডেল স্কুলের এসএমসি সভাপতি কাউন্সিলর মো. সাইফুদ্দিন, প্রধান শিক্ষক জাহেদ সারোয়ার সহ প্রমূখ।
প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর নদী, খাল ও ছড়ার দু’পাড়ে তামাক চাষ না করে নানান সবজি চাষে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করায় বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকোকে ধন্যবাদ প্রদান করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন করছে। সরকারের এই উন্নয়নের সাথে জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন সম্ভব নয়। লামা উপজেলায় গত অর্থবছরে ১৫১ কোটি টাকার উন্নয়ন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। এছাড়া আরো বিভিন্ন দপ্তরের ২শত কোটি টাকার অধিক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আজ দেশের দারিদ্রতার সীমা কমে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে। বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারের যুগোপযোগি কার্যক্রমের কারণে বান্দরবানে শিক্ষার হারে সারাদেশের মধ্যে ৩০তম স্থানে এসেছে। বান্দরবানে ৭টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা, ৩৩টি ইউনিয়ন ও ১৫০০ গ্রামের প্রত্যেকটি স্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামি লীগ কে ক্ষমতায় আনার আহব্বান জানান।