চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

কাইছার হামিদ

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ পেছানো হয়েছে

প্রকাশ: ২০১৮-১১-০১ ১৯:৪৮:৫৬ || আপডেট: ২০১৮-১১-০১ ১৯:৪৮:৫৬

 

বীর কণ্ঠ ডেস্ক:

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হবে কিনা, সেই বিষয়ে আদেশের তারিখ পিছিয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তির মামলায় আগামী ২২ নভেম্বর এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আগামী ২ ডিসেম্বর আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) দুই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে নথি পর্যালোচনায় আগামী ধার্য তারিখে আদেশ দেবেন বলে আদেশে উল্লেখ করেন।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নুরের আদালতে এ মামলা দু’টির বিচার চলছে। মামলার বাদীর আইনজীবী আবুল কালাম এসব তথ্য জানান।

এ দুই মামলায় গত ৩০ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস। পরবর্তী সময়ে তিনি দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানার জারির আবেদন করেন।

বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তি

মামলার অভিযোগ: ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা চান নাই। তিনি চেয়েছিলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব। জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ায় এ দেশের জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে চলছে দুর্নীতি ও লুটপাট। দলীয় লোকদের জঙ্গি বানিয়ে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করছে, সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে লুটপাট ও হত্যা করছে।

এ ঘটনায় গত ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি এবি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও জাতিগত বিভেদ সৃষ্টি-

মামলার অভিযোগে: গত ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) এর মিলনায়তনে শুভ বিজয়া অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আছে। আসলে দলটি ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের কাছে কোনও ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে। হিন্দুদের ওপর হামলা করেছে।’

মামলায় বলা হয়, খালেদা জিয়ার এসব বক্তব্য যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে, তেমনি হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে শ্রেণিগত বিভেদও সৃষ্টি করেছে। ওই ঘটনায় গত ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *