চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

আলাউদ্দিন ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর

ভিডিওকলে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের চমকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৮-১১-০১ ০০:৫৭:৩০ || আপডেট: ২০১৮-১১-০১ ০০:৫৭:৩০

বীর কন্ঠ ডেস্ক :

ভিডিওকলে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্টাফদের চমক দিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুরো দেশের পাশাপাশি কার্যালয়টিকে ডিজিটালাইজড করার কথা উল্লেখ করে এখন থেকে নিয়মিতই ভিডিওকলে যুক্ত হবার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।

বুধবার রাত ৮টার দিকে ভিডিওকলের মাধ্যমে সংযুক্ত হন শেখ হাসিনা।  দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, নেত্রীর হঠাৎ চমকে সাড়া ও ছোটাছুটি পড়ে যায় সভাপতির কার্যালয়ে। কথা শেষ করে ফোন ছাড়ার আগে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্লোগান দেন বঙ্গবন্ধু কন্যাও।

দলীয় সূত্র জানায়, একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে সংলাপ ঘিরে সরগরম রাজনীতির ময়দান। তাই বিকেলে থেকেই নেতাকর্মীদের সরব উপস্থতিতে সরগরম  ছিল আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়। সন্ধ্যার পর থেকে একে একে কার্যালয়টিতে আসেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। তবে ওই নেতারা কার্যালয় ত্যাগের পর রাত আটটার দিকে ভিডিওকলের মাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংযুক্ত হন স্বয়ং শেখ হাসিনা।

 

এ সময় অবস্থানরত নেতা ও স্টাফরা হঠাৎ সভাপতিমণ্ডলীর কক্ষে নেত্রীর চেহারা ভেসে উঠতে দেখে চমকে যান। এবং তিনি কথা বলছেন এবং কাউকে ডাকছেন এমন অবস্থায় দেখতে পান। ভিডিও কনফারেন্স টেকনোলোজিতে সভাপতিমণ্ডলীর কক্ষে স্থাপিত টিভি স্ক্রিনে শেখ হাসিনা নির্দেশ দেন, ‘কার্যালয়ে কারা কারা আছে  ডাকো।’

কন্ঠস্বর শুনে স্টাফরাই প্রথম বুঝতে পারেন, স্বয়ং নেত্রী ভিডিওকলে যুক্ত হয়েছেন। এর পর সাড়া পড়ে যায় সভাপতির কার্যালয়ে।

এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম মিলন ও মারুফা আকতার পপি। আর কার্যালয়ে নিজের দপ্তরে বসেছিলেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনিও এ খবর পেয়ে দ্রুত ভিডিওস্ক্রিনের সামনে সংযুক্ত হয়ে অন্য নেতাদের সঙ্গে সভানেত্রীর সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। একে একে কার্যালয়ে অবস্থানরত স্টাফরাও ছুটে আসেন।

 

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালি দেশ ডিজিটাল করলেই হবে না, নিজের দলকেও ডিজিটাল করতে হবে। আমি তো চাইলেও মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে কার্যালয়ে যেতে পারি না। তাই নিজের কার্যালয় ডিজিটালাইজড করেছি। যেন যেকোনো প্রান্ত থেকেই সংযুক্ত হয়ে যেকোনো  বিষয়ে কথা বলতে পারি। এখন থেকে নিয়মিতই ভিডিওকলে যুক্ত হবার ইচ্ছা আছে।’

কথা শেষে উপস্থিত সকলে সালাম বিনিময় করেন এবং এ প্রান্ত থেকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিলে শেখ হাসিনাও ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গ বন্ধু’ স্লোগান দিয়ে বিদায় নেন।

এছাড়াও তিনি স্টাফদের কার্যালয়টি যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

গত জাতীয় সম্মেলনের আগে থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়টি ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সুবাদে তিনি ডিজিটাল ডিভাইসে ভিডিওকলে বড় পর্দায় সংযুক্ত হয়ে সংলাপের আগের রাতে চমক উপহার দিলেন।

কার্যালয়ের স্টাফদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন মো. আলাউদ্দিন, জামিনুর রহমান, মাসুদুল হাসান, রায়হান কবির, আলী হোসেন নাসির, আবু সাইদ, মিজান, সাজ্জাদ হোসেন জীবন, রনি, খোকন ও রাজিব আহমেদও।

 

সূত্র- ঢাকা টাইমস

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *