শফকত হোসাইন চাটগামী
বাঁশখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১১-০৩ ১৬:০৬:২৫ || আপডেট: ২০১৮-১১-০৩ ১৬:০৬:২৫
বাঁশখালী প্রতিনিধি:
বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে এক কিশোর মাদ্রাসা ছাত্রকে বলৎকারের চেস্টা এবং ছেলেটি চিৎকার ছেঁছামেছি করলে তাকে অমানষিক ভাবে শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
২ অক্টোবর, শুক্রবার সকাল ৯ টার সময় পশ্চিম বড় ঘোনা ৪ নং ওয়ার্ডের শাহ ফতেহ আলী বাড়িতে নৃশংস ও অমানবিক এ ঘটনা ঘটে। 
ঘটনার বিবরনে প্রকাশঃ শাহ ফতেহ আলী বাড়ির নুর উদ্দিন ও মৃত হাবিব উল্লাহ পরিবারের মধ্যে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ দির্ঘদিনের। এ বিরোধের জেরে অতীতে অনেক ঝগড়া জাটি, মারামারি সংঘটিত হয়েছে এবং এখনো ও বির্তকিত জমিনে আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে বসাবাস করে আসছে, এরিই এক পর্যায়ে গত শুক্রুবার সকাল ৮ টার সময় নুর উদ্দিনের ছেলে চট্টগ্রামের চাঁদগাও থানার পুর্ব মোহরা আজিজিয়া এশায়াতুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র ওয়াহিদুল ইসলাম(৮) ঘর থেকে বাজার যাওয়ার পথে তাকে ফুঁসলিয়ে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন(৪০), পিতাঃ মৃত হাবিব উল্লাহ রাস্তার পাশে তার নব নির্মিত খালি বাড়িতে নিয়ে বলৎকারের চেস্টা করলে শিশুটি কান্নাকাটি ও চিৎকার দিলে হেলাল শিশুটিকে অমানবিকভাবে বেদম প্রহার করে। প্রহারে শিশু ওয়াহিদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফেটে থেতলে ও ফুলে যায়। শিশু ওয়াহিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় সকাল বাজারে চিকিৎসার জন্য আনা হলে সেখানেও হেলাল ও তার সহযোগীরা নির্যাতীত শিশুছাত্র ওয়াহিদের বাবা নুর উদ্দিনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে চড়াও হওয়ার চেস্টা করলে বাজারে সমবেত জনতা এগিয়ে এলে নুর উদ্দিন কোনভাবে রক্ষা পায়। স্থানীয় সমাজসেবক মিলন চৌধুরীর কাঁছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি শিশু ওয়হিদ হেলাল কর্তৃক নির্যাতনের কথা স্বিকার করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হেলালের বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইলে বার বার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও তার মোবাইল সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়।
নির্যাতীত শিশু ওয়াহিদের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। নির্যাতীত শিশু ওয়াহিদ ও তার অভিভাবকরা বাঁশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ কামালের হোসেন জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। শিশু ওয়াহিদের উপর অমানষিক নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।