শংকর চৌধুরী
খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৮-১২-২৬ ২০:৪৭:৫৫ || আপডেট: ২০১৮-১২-২৬ ২০:৪৭:৫৫
শংকর চৌধুরী,খাগড়াছড়ি॥
স্ট্রেনদেনিং হেলথ আউটকামস ফর ওমেন এন্ড চিলড্রেন প্রজেক্ট জেলা পর্যায়ে বাৎসরিক অগ্রগতি বিষয়ক খাগড়াছড়িতে ইপসা’র তথ্য বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
নারী ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় অভিমত। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রসব করানোসহ জনসচেতনা সৃষ্টি করতে হবে। বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৭০ জন। প্রতিবছর গর্ভ ও প্রসবজনিত কারণে ৭ হাজার ৩০০জন নারীর মৃত্যু হয়। মাতৃ মৃত্যুর এ হার কমিয়ে আনতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধসহ কমপক্ষে চারবার চেক-আপ ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রসব করানোসহ জনসচেতনা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে “নারী ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক” অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ অভিমত ব্যক্ত করা হয়। বেসরকারী সমাজ উন্নয়ন সংগঠন ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
খাগড়াছড়ির ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: সরোয়ার হোসেন মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় খাগড়াছড়ি মা ও শিশু কল্যাণ কন্দ্রের সহকারী পরিচালক ডা: আশুতোষ চাকমা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি জীতেন বড়–য়া, পানছড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সঞ্জিব ত্রিপুরা, পানছড়ির পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সোহাগময় চাকমা অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ইপসার প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: জসিম উদ্দিন, টেকনিক্যাল অফিসার মো: হাবিবুর রহমান ও মনিটরিং অফিসার মিহির কান্তি ত্রিপুরা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ইপসা অঞ্চলিক ও জাতিয় পর্যায়ে বিভিন্ন এনজিও এর সাথে ১৯৮৪সাল থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সাফল্যের সাথে অবদান রাখছে। প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনির মাধ্যমে সাধারণ জনগনের জন্য এনজিওটি বর্তমানে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, ঢাকা এবং নারায়নগঞ্জ এবং পানছড়ির ২৮৩টি পাড়ার ১৪৬২৮টি পরিবারের মায়েদের সহজে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদানে কাজ করছে জানিয়ে গত এক বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। সকলের জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকারী বেসরকারী সকল পর্যায়ে যার যার অবস্থান থেকে ভুমিকা রাখার আহবান জানানো হয়।