চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

নূর হোসেন মামুন , কাপ্তাই প্রতিনিধি :

রাইখালীর ৫ কি.মি কোদালা খালটি অবশেষে খননের উদ্যোগ নিলো সরকার

প্রকাশ: ২০১৮-১২-২৬ ১৭:৫৬:০৯ || আপডেট: ২০১৮-১২-২৬ ১৭:৫৬:০৯

নূর হোসেন মামুন, কাপ্তাই:

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের দূর্গম খন্তাকাটা এলাকার প্রায় ২’শতাধিক পরিবার কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল। ধান বুনা, শাকসবজির উৎপাদন ও মৎস অাহরণই এই এলাকার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার প্রধান উৎস। এদিকে এলাকাটির বুক জুড়ে দীর্ঘ ১০কিলোমিটের কোদালা খালটি চাষীদের অাশার অালোর বিপরীতে পাহাড় ধ্বসে মাটি ভরাট হয়ে হয়ে এখন বিষফোঁড়ায় রুপ নিয়েছে। দীর্ঘ বছরের পর বছর সরকারের পক্ষ হতে খালটি খনন না হওয়ায় পাহাড়ের পানির ব্যাপক স্রতে ভেঙ্গে যায় স্থানীয় কয়েকটি ব্রীজ, তলীয়ে যায় কৃষিজমি। তাই বছরের বেশিরভাগ সময়ই চাষাবাদে যুক্ত না থাকায়   অভাবের বেড়াজালে পড়ে কাতড়াতে হয় স্থানীয়দের।

অবশেষে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে ৬৪জেলার ছোট নদী, খাল, জলাশয় পুনঃখনন ১ম প্রকল্পের অাওতায় কাপ্তাইয়ের রাইখালীর খন্তাকাটা এলাকায় কোদালা খালের ৫কিলোমিটার খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় অাজ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার পরিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সামশুদ্দিন অাহমেদ এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

 

প্রকল্পটি উদ্বোধন করায় অাশার অালো সৃষ্টি হয়েছে দূর্গম এই এলাকাটিতে। স্থানীয় চাষী মো. ছিদ্দিক জানায়, কোদালা খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় অামাদের চাষাবাদে দাড়ুন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খালটি খননের উদ্যোগ নেওয়ায় অামরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।

 

চট্টগ্রাম পানি উন্নয়র বোর্ডের উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তা তপন কুমার ত্রিপুরার তত্ববধানে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ পরিকল্পনার পরিচালক ইমরান উল্লাহ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাঙামাটি রাঙামাটি নির্বাহী প্রকৌশলী স্বপন কুমার বড়ুয়া সহ অারও অনেকে।

কৃষক রাজ্জাক হোসেন বলেন, এই খালকে খনন করা হলে অাবারও অর্থনৈতিক মন্দা দূর হবে এই এলাকায়।

এদিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার পরিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সামশুদ্দিন অাহমেদ বলেন, কালের বিবর্তনে বাংলাদেশের সিংহভাগ খালই ভরাট হয়ে গিয়েছে। ফলে পাহাড়ের পানি নেমে ও পাহাড় ধ্বসের ফলে তলীয়ে যাচ্ছে চাষাবাদি জমি। এই প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হলে সুদিন ফিরবে বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য খাদে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *