প্রকাশ: ২০১৮-১২-২৭ ২০:২২:৪১ || আপডেট: ২০১৮-১২-২৭ ২০:২২:৪১
বীর কন্ঠ ডেস্ক :
চট্টগ্রামের মহানগর ও জেলা মিলিয়ে ১৬ টি সংশোদীয় আসনে ১৮৯৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে নয়’শোর বেশী ভোটকেন্দ্রই অতিগুরুত্বপুর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। বিশেষ করে জামায়াত অধ্যুষিত সাতকানিয়া আসনকে ঘিরে নির্বাচনের দিন নাশকতা পরিকল্পনার খবরও দিয়েছে গোয়েন্দারা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি প্রস্তুতির পাশাপাশি সব ভোটকেন্দ্রে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। আর নির্বাচন কর্মকর্তা বলছেন ভোটকেন্দ্রের সাথে ভোটারদেরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
চট্টগ্রামের মোট ১৮৯৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেক কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনের বাস্তবতাকে মাথায় নিয়ে এই তালিকা করেছে তারা। যদিও নির্বাচনকে ঘিরে বড় ধরনের নাশকতা চালানোর পরিকল্পনার আশংকা জানিয়ে আগাম সতর্কতা দিয়েছে গোয়েন্দারা।
মুল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন স্বন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকার প্রায় দুই শতাধিক ভোটকেন্দ্রেকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলছে প্রশাসন। এছাড়া এই ক’দিনের সহিংসতাকে মাথায় রেখে ভোটকেন্দ্রের পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রত্যয় জানালেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের এতো আশ্বাসেও বিশ্বাস রাখতে পারছেন না রাজনীতি বিশ্লেষকরা।
একাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপুর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দা, বিজিবি ও বেবের সমন্বয়ে চারস্তরের নিরাপত্তা ছাড়াও পঞ্চম স্তরে থাকবে সেনাবাহিনীও। এছাড়া সাগর বেষ্টিত সন্দ্বীপের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যুক্ত হবেন নৌবাহিনীর সদস্যরা। খবর- এস.এ টিভি