চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাঙ্গুনিয়ায় ভোটে লড়বেন ছয় প্রার্থী

প্রকাশ: ২০১৮-১২-২৯ ২১:০২:৩১ || আপডেট: ২০১৮-১২-২৯ ২১:০২:৩১

আব্বাস হোসাইন আফতাব, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) : 

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী আংশিক) আসনে ভোটে লড়বেন ৬ প্রার্থী। ছয় প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার প্রচারণার শেষ সময় পর্যন্ত আ.লীগ প্রার্থী হাছান মাহমুদ (নৌকা) এগিয়ে থাকলেও অন্য প্রার্থীদের তেমন দেখা যায়নি।  আ.লীগ ছাড়া জোটের প্রার্থী মো. নুরুল আলম (ধানের শীষ) সহ ৫ প্রার্থীর অভিযোগ তাঁদের প্রচারণায় বাধা দেয়া কারনে তাঁরা ঠিকমতো ভোটের মাঠে প্রচারণা চালাতে পারেননি।

তবে প্রচারণায় শুরু থেকে ঝটিকা গনসংযোগে মাঠে ছিল জোটের প্রার্থী নুরুল আলম ও ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আবু নওশাদ নঈমী (মোমবাতি)।  নুরুল আলম এলডিপি’র (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি) সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাংসদ।  হাছান মাহমুদ দুই বার সাংসদ ছিলেন।  প্রথম বার ২০০৮ সালের নির্বাচনে ও ২য় বার ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সাংসদ হন।  বর্তমানেও সংসদ সদস্যের দায়িত্বে আছেন।

 

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নিয়ামত উল্লাহ (হাতপাখা), জেএসডি’র (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) মাহাবুবুর রহমান (তাঁরা) ও এনপিপি’র (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি জিয়াউর রহমান (আম)’কে ভোটের মাঠে দেখা যায়নি বলে জানান ভোটাররা।  আ.লীগ ছাড়া বিরোধী প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে কিনা পোলিং এজেন্ট দিতে পারবেন কিনা এমন আশংকা জানিয়েছেন।

 

জানতে চাইলে আ.লীগ প্রার্থী হাছান মাহমুদ বলেন, “ বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ এখন রাঙ্গুনিয়াবাসীর কাছে বর্গা প্রতিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।  রাঙ্গুনিয়ার কাউকে বিএনপির ধানের শীষ না দিয়ে  দলছুট নেতাকে ধানের শীষের প্রার্থী করায় বিএনপির নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে এলডিপি নেতার পক্ষে কেউ মাঠে নামেনি।

 

রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ১০ বছরে উন্নয়নের ছোঁয়া প্রতিটি পাড়ায় পৌঁছে গেছে।  রাস্তাঘাট, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড আর বাকী নেই।  উন্নয়ন কর্মকান্ডকে টেকসই করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।  আগামী ৫ বছরের পরিকল্পনা হবে উন্নয়ন কর্মকান্ডের সৌন্দর্য্য বর্ধন।   রাঙ্গুনিয়াকে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে।  পরিকল্পিত হাউজিং গড়ে তোলা হবে।  বেকার যুবকদের কারিগরী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে একটি কারিগরী মহাবিদ্যালয় নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হবে।  ”

 

জানতে চাইলে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নুরুল আলম বলেন, “ রাঙ্গুনিয়াসহ সারাদেশে নির্বাচনকে সামনে রেখে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে জাতীয়তাবাদী শক্তি।  নির্বাচনে এজেন্ট দিতেও বাধা পাচ্ছি।  নির্বাচনে এসে দেখেছি আওয়ামীলীগ তথা সরকারি দলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা।  এবার নির্বাচন করতে গিয়ে দেখছি দেশ এখন কঠিন অবস্থায় উপনীত।  হীনমন্য রাজনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে।  ক্ষমতা আর ক্ষমতার বাইরে থেকে রাঙ্গুনিয়ায় উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছি।  সুষ্ঠু ভোট হলে ভোটের প্রতিদ্বন্ধিতায় জাতীয়তাবাদী শক্তি জিতবে। ”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *