চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

রফিকুল আলম ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

ফটিকছড়িতে সাংগঠনিক দূর্বলতায় বিএনপির ভরাডুবি ৪ বারের এমপি ভান্ডারীকে মন্ত্রী করার দাবী

প্রকাশ: ২০১৯-০১-০২ ২০:৪৬:২৭ || আপডেট: ২০১৯-০১-০২ ২০:৪৬:২৭

রফিকুল আলম : ১৯৯১, ১৯৯৬ (১৫ফেব্রুয়ারী), ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি সংসদীয় আসন থেকে ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড করেছেন সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। তথ্যমতে, ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর বিএনপিতে যোগদান করে ১৫ ফেব্রুয়ারীর একতরফা নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এমপি হন ভান্ডারী। যদিও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ফের নির্বাচন করলেও প্রয়াত সাংসদ রফিকুল আনোয়ারের কাছে হেরে যান নজিবুল বশর। এরপর নিজেই গঠন করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন নামে আলাদা একটি রাজনৈতিক দল। এ দলের প্রতীক ফুলের মালা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মহাজোটের মিত্র হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে এমপি হন ভান্ডারী।
সর্বশেষ গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থ বারের মত এমপি হয়ে ফটিকছড়ির ইতিহাসে রেকর্ড করেন বিটিএফ চেয়ারম্যান ভান্ডারী। ফটিকছড়ি থেকে নুরুল আলম চৌধুরী (নৌকা) দুই, রফিকুল আনোয়ার (নৌকা) দুই, জামাল উদ্দিন আহমদ (ধানের শীষ) একবার, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ) একবার, মজহারুল হক শাহ চৌধুরী (জাসদ-সিরাজ) একবার করে সংসদ সদস্য হওয়ার রেকর্ড থাকলেও একমাত্র নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী চার বার এমপি হয়েছেন। এদিকে, চার বারের মত এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীকে প্রস্তাবিত মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়ার জোর দাবী উঠেছে। গত দু’দিন ধরে ফটিকছড়ি সদর ও মাইজভান্ডার দরবারস্থ সাংসদের নিজস্ব বাস ভবনে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনায় বক্তারা সাংসদ নজিবুল বশরকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার আগ্রহ দেখিয়ে বক্তব্য রাখেন।
ফটিকছড়ির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে নজিবুল বশরকে মন্ত্রী করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান বক্তারা। এসব সংবর্ধনা অনুষ্টানে আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের উপজেলা, ইউনিয়ন ,ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি, বিভিন্ন শিক্ষা ,ধর্মীয় প্রতিষ্টান ও সামাজিক সংগঠন, ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভা সহ প্রায় হাজারের অধিক ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। অন্যদিকে, সাংগঠনিক দূর্বলতায় বিএনপির প্রার্থী কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার পরাজিত হয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেন। কর্নেল বাহার মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে উপজেলা বিএনপির শীর্ষনেতাদের একসাথে মাঠে নামাতে চরম ব্যর্থ হন তিনি। যদিও বিচ্ছিন্নভাবে প্রচারণায় অংশ নেন উপজেলা বিএনপির নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *