চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

একটি ভোটও পাননি রুমী

প্রকাশ: ২০১৯-০১-০৩ ২১:০২:৪৫ || আপডেট: ২০১৯-০১-০৩ ২১:০২:৪৫

 

ডেস্ক থেকে:

৩০ ডিসেম্বর হয়ে গেল বহুল প্রতীক্ষিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে অন্যরকম নজির স্থাপন করেছেন সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের কোদাল মার্কার প্রার্থী ছিলেন তিনি। ব্যালট বাক্সে তার কোদাল মার্কায় একটি সিলও পড়েনি।
কিন্তু রুমীর নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো কমতি ছিল না। তার কোদাল মার্কার ব্যানার, পোস্টারও দেখা গেছে এই আসনের বিভিন্ন স্থানে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে গণসংযোগ বা নির্বাচনী প্রচারণায় পিছিয়ে ছিলেন না। অথচ তিনি একটি ভোটও পেলেন না।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে রুমী জানান, তিনি চট্টগ্রাম শহরের দেওয়ানহাট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। শৈশব থেকে তার বেড়ে ওঠা, পড়ালেখা সবই এখানে। তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন নাগরিক ইস্যুতে গত কয়েক বছর ধরে আন্দোলন করেছেন।

রুমী জানান, চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন নাগরিক ইস্যুতে হওয়া আন্দোলনে ছিলেন।
তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের মানুষের নিত্যদিনের আন্দোলনে-সংগ্রামে পাশে ছিলাম। আমি একটি ভোটও পাবো না, সেটি বিশ্বাসযোগ্য না।

ভোটগ্রহণের দিন কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই ভোট দিতে না পারলেও আবার অনেকেই ভোট দিয়েছেন বলে জানান রুমী। তিনি বলেন, তার কর্মী-সমর্থক এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনেকেই ভোট দেওয়ার পর তাদের ভোটার নম্বরও তাকে জানিয়েছিলেন।

যদি ধরে নেওয়া যায়, কর্মী-সমর্থক বা পরিবারের সদস্যরা তাকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তবে প্রশ্ন উঠে হাসান মারুফ রুমী তার নিজের ভোটটি কাকে দিলেন?

এ বিষয়ে রুমীর বক্তব্য, তার বাসা দেওয়ানহাটে, সেটি চট্টগ্রাম-৯ ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের সীমানায় পড়েছে। যার কারণে তিনি চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী হলেও ভোটার চট্টগ্রাম-৯ আসনের।
অর্থাৎ নিজের ভোটটি নিজেকে দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও, সেটির কোনো সুযোগ ছিল না বলে জানান তিনি। এ জন্য তিনি নিজেকে ভোটটি দিতে পারেননি।
তবে রুমীর দাবি কতটা সঠিক তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারণ নিজেকে ভোট দিতে না পারায় শূন্য ভোট পাওয়ার ঘটনাটিকে একেবারেই অবিশ্বাস্য বলা যাচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *