প্রকাশ: ২০১৯-০১-১৬ ২০:১৬:৫৪ || আপডেট: ২০১৯-০১-১৬ ২০:১৬:৫৪
আব্বাস হোসাইন আফতাব, রাঙ্গুনিয়া : কম্বল পেয়ে ষাটোর্ধ্ব মিনু বাউরি বলেন, “ আমাগো খবর কেউ রাহেনা, শীতে খুব কষ্ট, সাব্ আমাগোর জন্য কম্বল নিয়ে এল খুব খুশি লাগছে। আজ রাতে কম্বলটি গায়ে দিয়ে ঘুমামো। ” শুধ মিনু বাউরি নয় এরকম আরো ১০০ চা বাগান শ্রমিক গভীর রাতে পেয়েছে কম্বল। প্রকৃত শীতার্থ অসহায় দুস্থদের হাতে কম্বল পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ হিসেবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান ১০০ জন চা বাগান শ্রমিকদের ঘরে ঘরে গিয়ে কম্বল বিতরণ করেছেন। প্রতি রাতে গাড়ীতে করে কম্বল নিয়ে বের হন এই ইউএনও। সোমবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে দূর্গম পাহাড়ী এলাকা কোদালা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকায় ১০০ চা বাগান শ্রমিকদের ঘরে গিয়ে নিজ হাতে এসব কম্বল তুলে দেন।
এসময় সহযোগী ছিলেন কোদালা চা বাগানের ব্যবস্থাপক মো. আবদুল লতিফ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল জব্বার। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, “ সরকারের ত্রাণ তহবিলের কম্বল শুধু এখানে নয় সারাদেশে দেয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া কম্বলগুলো আমি শুধুমাত্র পৌঁছে দিচ্ছি। প্রত্যেক ইউনিয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে এসব কম্বল পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কম্বলগুলো প্রকৃত শীতার্থরা যাতে পায় সেজন্য জনপ্রতিনিধিদের সচেতন করতে এই উদ্যোগ নিয়েছি।
প্রতি রাতে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শীতার্থদের কম্বলগুলো বিতরণ হয়েছে কিনা দেখার পাশাপাপাশি যারা প্রকৃত শীতার্থ স্বচক্ষে দেখে কম্বল দেয়া হচ্ছে। সরকারের সহায়তা প্রকৃত গরীব অসহায়দের হাতে তুলে দিতে পারলে মনে প্রশান্তি পায়। ”রাতে ঘরে ঘরে গিয়ে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন ১২ জানুয়ারি। এর আগে উপজেলার ইছাখালী, গুচ্ছগ্রাম , জাকিরাবাদ, মরিয়ম নগর , ইছাখালী মাদ্রাসা এতিমখানা ও পূর্ব সৈয়দবাড়ি পাগলা মামা মাজার এতিমখানা এলাকায় ছিন্নমূল অসহায় শীতার্থ মানুষের মাঝে নিজের হাতে কম্বল তুলে দেন ইউএনও। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের উদ্যোগে সরকারের ত্রান তহবিল থেকে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার কম্বল ইতিমধ্যে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দুস্থদের বিতরণ করা হয়েছে। আব্বাস হোসাইন আফতাব