মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৯-০২-১১ ০০:২৭:০৪ || আপডেট: ২০১৯-০২-১১ ০০:২৭:০৪
মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কুঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকল কল্পনা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চূড়ান্ত মনোনয়ন ও নৌকার টিকেট পেলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ও বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহ। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১১টায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের ১২২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছেন। প্রকাশিত এ প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহর।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা ও দৌছড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুল্লাহ ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাচিং মার্মা জানান, দলের ভেতরে বাইরে শফিউল্লাহর প্রচুর সুনাম রয়েছে। শুধু একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, সংগঠক, শিক্ষাবিদ, সংবাদকর্মী, সমাজসেবক, দানবীর হিসেবেও অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহ পরিচিত। রাজনৈতিক জীবনে দক্ষ, মেধাবী ও চৌকষ হিসেবে তিনি সুবিদিত। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তসলিম ইকবাল চৌধুরী সংবাদিকদের জানান, অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহ দল এবং পাহাড়ী বাঙ্গালীদের পরীক্ষিত বন্ধু ও পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এর আস্থাভাজন হিসেবেও পরিচিত। সুষ্ঠ নির্বাচনে শফিউল্লাহ ভাই বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে বলেও জানান আওয়ামীলীগের এই নেতা।
এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়ায় দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মনোনয়ন কমিটির সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহ। অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের অভিভাবক পাহাড়ী-বাঙালীদের পরীক্ষিত বন্ধু পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির প্রতি তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রবিবার নাইক্ষ্যংছড়ি আওয়ামীলীগের ত্যাগী এই নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার পাহাড়ী-বাঙ্গালী ও ৫ ইউনিয়নের আওয়ামী পরিবারের নেতা কর্মীদের মাঝে শুরু হয় আনন্দের বন্যা। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেছে আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।