রফিকুল আলম
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৯-০২-১৪ ১৯:২৪:৩৭ || আপডেট: ২০১৯-০২-১৪ ১৯:২৪:৩৭
রফিকুল আলম : আবু বক্কর টকবকে এক যুবক। হেসে খেলে সবার সাথে কাটিয়েছে ১৮টি বছর। আজ সে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে পরপারে। এমনতো হবার কথা নয়। তার বাবা লোকমান কয়েক দিন আগে প্রবাস হতে বাড়ী এসেছে। পরিবার পরিজনকে নিয়ে হাসি খুশিতে থাকার জন্য। তার প্রবাসী বাবা তো কখনো চিন্তা করেনি এক মাত্র সন্তানকে কাঁধে করে কবর স্থানে নিয়ে যেতে হবে। আজ বাবার কাধে সন্তানের লাশ। কি করে মনকে শান্তনা দেবে। আর বক্করের ২ বোন কাকে ভাইয়া বলে ডাকবে। ভাইয়া কলেজ হতে কখন আসবে পথ পানে চেয়ে আর থাকবে না। গর্ভধারিনী মা খাবার নিয়ে আর প্রতিক্ষা করবে না। পাড়া, প্রতিবেশী,স্বজন ও খেলার সাথী সহ আজ সবাই শোকাহত। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরের আবু বক্কর চিকিতসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ( ইন্নালিল্লাহে……….. রাজেউন)। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ২ টায় জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ডাক্তারা পর্যন্ত ধরতে পারেনি তার কি রোগ। ডাক্তারা শুধু বলেছে তার ফুসফুস নি:স্ব হয়েগেছে। আবার বলেছে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। অকালে পরপারে চলে যাওয়া চট্টগ্রাম ইসলামীয়া কলেজের ইন্টার ১ম বর্ষের ছাত্র মুহাম্মদ আবু বক্কর মোমেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌর সভার ১ নং ওয়ার্ডের রুস্তম খাঁ চৌধুরী বাড়ীর প্রবাসী মুহাম্মদ লোকমানের পুত্র।
শোক প্রকাশ : ফটিকছড়ি পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, কাউন্সিলর সাংবাদিক রফিকুল আলম,কাউন্সিলর আলা উদ্দিন আল রাকিব,কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন,কাউন্সিলর মুহাম্মদ তৈয়ব,কাউন্সিলর নাজিম উদ্দিন,কাউন্সিলর জিসম উদ্দিন,কাউন্সিলর বেলাল উদ্দিন,কাউন্সিলর গোলাপ মওলা গোলাফ ও কাউন্সিলর হাজী আবুল কাসেম এক বিবৃতিতে আবু বক্করের অকাল মৃত্যুতে তার আত্নার মাগফেরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।