নূর হোসেন মামুন ,
কাপ্তাই প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ২০১৯-০২-২৪ ২২:২২:২৪ || আপডেট: ২০১৯-০২-২৪ ২৩:৪০:১৪
নূর হোসেন মামুন, কাপ্তাই- পাহাড়ের অাঞ্চলিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর এরিয়া কমান্ডার চা থোয়াইপ্রু মারমার নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্তৃক মুঠো ফোনে কাপ্তাই উপজেলা অা’লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরীকে তার বাড়িতে হামলা করার হুমকি ও রাইখালী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সবুজ মারমা ও ছাত্রলীগ নেতা সাইমনের বাড়িতে হামলা করে সবুজের মাকে বন্দুক দিয়ে হত্যার হুমকি প্রদানের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে উপজেলা অা’লীগ ও তার অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের ২’শতাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তারা উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে পাহাড়ে দ্রুত সেনাক্যাম্প স্থাপন ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে পাহাড়ি নিরীহ জনসাধারণকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার সুযোগ প্রদানের জন্য দাবি জানান। উপজেলা অা’লীগ নেতা অাকতার হোসেন মিলনের পরিচালনায় কাপ্তাই উপজেলা অা’লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি অা’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল হক, কাপ্তাই উপজেলা অা’লীগের সাধারণ সম্পাদক থোয়াইচিং মং মারমা, সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক একরাম, যুবলীগ সা: তানভির অাহমেদ সিদ্দিক, সুমন প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা অা’লীগের সহ-সভাপতি অানোয়ার ইসলাম চৌধুরী বেবি, উপজেলা অা’লীগের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী অাব্দুল লতিফ, উপজেলা যুবলীগে সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন, কৃষকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুব্রত বিকাশ তনচংগ্যা, উপজেলা কৃষকলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মো. অালম, অা’লীগ নেতা অংলাচিং মারমা, উপজেলা মহিলা অা’লীগের সভাপতি মনোয়ারা জাহান, যুবলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদিকা ফারহানা অাহমেদ পপি, মহিলা অা’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদিকা উমেচিং মারমা সহ অারও অনেকে।
এসময় জেলা অা’লীগের সংগঠনিক সম্পাদক মো. মফিজুল হক বলেন, অাগামীতে যদি এই পাহাড়ের বাঙালী, পাহাড়ি কাউকে চাঁদা ও হত্যা ও হামলার হুমকি দেওয়া হয় অার সরকার যদি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে এখানের সকল জনসাধারণকে নিয়ে অামরা দুর্বার অান্দলন গড়ে তুলবো। কাপ্তাই উপজেলা অা’লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী যৌথবাহিনীকে অনুরোধ করে বলেন, চিৎমরমের চাকুয়াপাড়া, রাইখালীর ভাল্লুকিয়া, কারিগর পাড়া সহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহে সেনাক্যাম্প স্থাপন জরুরী হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী হচ্ছে অত্যান্ত প্রহরী। সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা, অাপনারা ওই সন্তু লারমার দলের হুংকারে ভয় না পেয়ে অামাদের মতো সাধারণ জনগণের কথা ভেবে অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অাপনারা অভিযান পরিচালনা করুন। অামরা অা’লীগ নেতা সহ স্থানীয় জনসাধারণ অাপনাদের পাশে থাকবে। প্রকৌশলী থোয়াইচিং মং মারমা বলেন, পাহাড়ে বর্তমানে কেউই নিরাপদ নয়। অার একজন পাহাড়ি অথবা বাঙালীর উপর যদি অাগামীতে হামলা অথবা হুমকি প্রদান করা হয় অামরা অা’লীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন নেতাকর্মীরা ঘরে বসে থাকবোনা। অামরা তার দাত ভাঙা জবাব দিবো।