মিজবাউল হক
চকরিয়া অফিস
প্রকাশ: ২০১৯-০৪-১৭ ২৩:১২:২৬ || আপডেট: ২০১৯-০৪-১৭ ২৩:১২:২৬
মিজবাউল হক, চকরিয়া: চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া পালাকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ভোট শেষে ১৮ মার্চের ভোটে বিশাল ভোটে এগিয়ে থাকা জেসমিন হক জেসি বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কলস প্রতিক নিয়ে ১৮ মার্চ পেয়েছিলেন ৩৪ হাজার ২৯৪ ভোট। বুধবার ১৭ এপ্রিল স্থগিত কেন্দ্রে অনুষ্টিত নির্বাচনে পেয়েছেন ৩১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাফিয়া বেগম শম্পা (ফুটবল) ১৮ মার্চ পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ৯০৩ ভোট। বুধবার পেয়েছেন ২৪৯ ভোট।
তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৪ হাজার ৪৫৩ ভোট। স্থগিত কেন্দ্রে ৪ হাজার ৭৬৮জন ভোটার রয়েছে। তৎমধ্যে বুধবার অনুষ্টিত নির্বাচনে প্রায় ১২ শতাংশ হারে ভোট পড়ে ৫৬০ ভোট প্রয়োগ হয়। চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৮টি কেন্দ্রে সুষ্ঠভাবে ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হয়। ওইসময় পালাকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জোরপূর্বক কেন্দ্র দখল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে এক মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী। পরে ওই প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক ওই কেন্দ্রটি স্থগিত করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন ১৭ এপ্রিল স্থগিত কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি আরো বলেন, ১৮ মার্চ নির্বাচনের পর চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ফজলুল করিম সাঈদী ও পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মকছুদুল হক ছুট্টুকে সরকারীভাবে নির্বাচিত ঘোষনার পর সরকারী গেজেটভুক্তও করা হয়েছে তাদের।
অন্যদিকে স্থগিত হওয়া কেন্দ্রে ১৭ এপ্রিল শুধুমাত্র মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হয়। তিনজন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। বুধবার ভোটে কলস ও ফুটবল প্রতিকে ভোট প্রয়োগ হয় ৫৬০ ভোট।