প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২০ ২৩:৩২:৫৮ || আপডেট: ২০১৯-০৪-২০ ২৩:৩২:৫৮
আব্বাস হোসাইন, প্রতিনিধি, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ৬ষ্ট শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন শুনে বাড়িতে নিজে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও। রোববার (২১ এপ্রিল) বিয়ের দিনক্ষণ ছিল। শনিবার(২০ এপ্রিল) সকালে নিজে সহপাঠি নিয়ে বিদ্যালয়ে হাজির হয়ে বিয়ের কথা প্রধান শিক্ষককে জানান কিশোরী। প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)কে জানালে ইউএনও তাৎক্ষনিক কিশোরীর বাড়িতে নিজে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। সকালে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণির ছাত্রী পোমরা ইউনিয়নের কাদেরিয়া পাড়ায় কিশোরীর বাড়িতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান। বাল্যবিয়ে বন্ধ করার পর ইউএনও নিজের ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেন ।
তিনি লেখেন “ বালিকা, তোমার সাহসিকতায় মুগ্ধ ! ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী , বয়স ১৪ বছর, কাদেরীয়া পাড়া, পোমরা, সকাল ১০ টায় প্রধান শিক্ষক ফোন করে জানালেন, এক ছাত্রী আমার কাছে এসে কান্না করছে। মা-বাবা তাকে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। বিদ্যালয় থেকে ছাত্রী, প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ মেয়ের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। ফলাফল- মুচলেকা নিয়ে বিয়ে বন্ধ।” ইউএনও মাসুদুর রহমান বলেন, সাহসী ভূমিকার কারনে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে বালিকা। সে নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে তার বিয়ের কথা জানায়।
প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি আমাকে জানালে আমি কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে মা-বাবাকে বুঝিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দিই। তারা মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেনা শর্তে মুচলেকা দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম টিপু বলেন, মেয়েটি স্কুলে এসে কান্নাকাটি করছিল। বিবাহ বন্ধ করতে ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি।