চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

নীরব জসীম ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর

লোহাগাড়ায় জেনারেটর ঘরে আগুন : ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি : বড় ধরনের অগ্নিপাত থেকে রক্ষা

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৬ ১২:২৬:১৭ || আপডেট: ২০১৯-০৪-২৬ ১২:২৬:১৭

লোহাগাড়া অফিস : লোহাগাড়া উপজেলার সদরে দরবেশহাট রোডস্থ ফোরকান টাওয়ারের সামনে গত ২৫ এপ্রিল দুপুর ২ টার দিকে মোঃ এনামের মালিকানধীন সাঈদী এন্টারপ্রাইজের একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর ঘরে অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সেলিম জানান, জেনারেটরের বৈদ্যুতিক র্শট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায় সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকার কারণে জেনারেটর চালু ছিল। সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এসময় জেনারেটর ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পাশের দু,টি দোকান ঘরেও আগুন লেগে যায়। ক্ষতিগ্রস্থ দোকান ঘর গুলো হল- আবদুল হাকিম মালিকানাধীন বিছমিল্লাহ চাউল ভান্ডার ও খাইরুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি শষ্যধানা মাড়াই যন্ত্র (কলঘর)। সাঈদ এন্টার প্রাইজের মালিক জেনারেটর ব্যবসায়ী মোঃ এনাম বলেন, আগুনে আমার একটি দামী জেনারেটরসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে বিছমিল্লাহ চাউল ভান্ডার মালিক আবদুল হকিম বলেন, এ অগ্নিকান্ডে আমার প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। খাইরুল ইসলামের মালিকানাধীন কলঘরে মাড়াইয়ের জন্য রাখা শষ্যধানার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায়। আগুনে মালামাল, দোকানঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
এদিকে স্থানীয়রা জানায়, এই অগ্নিকান্ডের কারণে বড় ধরনের ভয়াবহ আগুন দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো। সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কারণে বড় ধরনের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল তারা। কারন ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে ভ্রাম্যমান সিএনজি ফিলিং স্টেশন। যেখানে বিক্রি করা হচ্ছে খোলা ট্রাকে করে গ্যাস। এখান থেকে গ্যাস নেওয়ার জন্য রাস্তার দু,পাশে সিএনজি অটো রিক্সাগুলোকে দাড়িয়ে থেকে রাস্তা চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ, জানযাট সৃষ্টি করে। জানাযায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই অবৈধ গ্যাস বিক্রি করছে একটি মহল। এসব গাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতো বলে আশংকা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *