চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

নীরব জসীম ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর

লোহাগাড়ায় ক্রসফায়ারে ধর্ষণে অভিযুক্ত সাইফুলের মৃত্যু

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৯ ১০:২৪:২৭ || আপডেট: ২০১৯-০৪-২৯ ১০:৩৬:৫৩

লোহাগাড়া অফিস: লোহাগাড়া উপজেলায় র‌্যাবের সাথে  ক্রসফায়ারে ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারের মালিক।

আজ (২৯ এপ্রিল) সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার উত্তর আমিাবাদ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত সাইফুল ইসলামের বাড়িও একই এলাকায়। তিনি উত্তর আমিরাবাদ পূর্ব মুহুরি পাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মাসকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী সাইফুল ইসলাম উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে জানতে পেরে র‌্যাবের একটি টিম তাকে ধরতে অভিযান চালায় ভোরে। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল তার সহযোগিদের নিয়ে র‌্যাবের উপর গুলি চালায়। র‌্যাব আত্মরক্ষার্থে পাল্টাগুলি চালালে। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে সাইফুলের লাশ পড়ে থাকে।

জানাগেছে, এর আগে ১২ এপ্রিল উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় কোচিং সেন্টারের শিক্ষক কর্তৃক হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার ৩ দিন পর গত ১৫ এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন স্কুলছাত্রীর মা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলেন। ভিকটিম ওই ছাত্রীসহ একই পরিবারের ৪ সহোদর সেই কোচিং সেন্টারে পড়তো।

ওই ছাত্রীর মা জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন আমি বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যাই। পরদিন ১২ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে সাইফুল আমাকে ফোন করে আমি কোথায় আছি তা জানতে চান। আমি বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে আছি বলে জানাই। এরপর তিনি আমাদের ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সাইফুল পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত আমার মেয়েকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে দীর্ঘ এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠলে ১৮ এপ্রিল মেয়েকে নিয়ে বাড়ি আসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *