চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

রাঙ্গুনিয়ায় গৃহবধু খুনের অভিযোগে থানায় মামলা, স্বামী কারাগারে

প্রকাশ: ২০১৯-০৫-০২ ২০:২৩:৩৭ || আপডেট: ২০১৯-০৫-০২ ২৩:২০:২৫

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : রাঙ্গুনিয়ায় স্ত্রী খুনের অভিযোগে স্বামীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (২ মে) সকালের দিকে রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ তাঁকে কারাগারে পাঠান। পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ নোয়াগাঁও এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মো. আলমগীর (২৮) তাঁর স্ত্রী শাহেদা শারমিন (২২) কে খুনের অভিযোগে বুধবার (১ মে) সন্ধ্যার দিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর আগে বুধবার দিনগত রাত ১ টার দিকে মো. আলমগীর হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে মামলা করা হছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত গৃহবধু শারমিন স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের শান্তি নিকেতন গ্রামের মো. শহীদুল্লাহ’র মেয়ে। রাঙ্গুনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইসমাঈল হোসেন বলেন, “ আজ বৃহষ্পতিবার আসামীর ৭ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ড নাকি অন্য কিছু বুঝা যাবে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে আজ দুপুরে মেয়ের বাবাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। লাশ বিকেলে মেয়ের বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।” মামলার বিবরণ , পৃুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকালে পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ নোয়াগাঁও শশুড় বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সে শারমিন। বুধবার (১ মে) সাড়ে ৫ টার দিকে রাঙ্গুনিয়ার পাশ্ববর্তী উপজেলা রাউজানের কর্নফুলি নদীর খেলাঘাট থেকে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুরে খবর পেয়ে নিহত গৃহবধুর স্বজনরা গিয়ে তাঁর লাশ সনাক্ত করেন। বুধবার (১ মে) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে খেলা ঘাটে গিয়ে দেখা যায় নদী পাড়ে প্রচুর উৎসুক লোকের ভিড়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহালের জন্য ব্যস্ত রয়েছে। এই সময় মেয়ের বাবা মো. শহীদুল্লাহ নদী পাড়ে বিষন্ন হয়ে দাড়িয়ে আছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ ৬ মাস আগে মেয়ের বিয়ে হয়। মঙ্গলবার শশুড় বাড়ি থেকে মেয়ের নিখোঁজের খবর পেয়ে থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়রী করেছেন। মেয়েকে খুন করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আটকের আগে লাশ উদ্ধারের সময় নিহত গৃহবধুর স্বামী দাড়িয়ে ছিলেন নদীপাড়ে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ ঢাকায় একটি আবাসিক ভবনে কেয়ারটেকার হিসেবে তিনি চাকুরি করেন। ১৮ এপ্রিল তার স্ত্রীর বড় ভাই মো রাসেলের বিয়ে উপলক্ষে সে বাড়িতে এসেছিল। ২৯শে এপ্রিল সোমবার রাত ৮ টার দিকে বাসে ঢাকায় চলে যান।মঙ্গলবার সকালে সে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন তার স্ত্রী নিখোঁজ। সংবাদ পেয়ে সে বাড়িতে আসে। তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। অনেকবার চিকিৎসক দেখিয়েছেন। তার স্ত্রী নিজে ঘর থেকে বের হয়েছেন। নদীর পাশে ঘর তাই নদীতে পড়ে তিনি মারা গেছেন দাবি করেন। ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *