চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

আবদুল হাকিম রানা পটিয়া প্রতিনিধি

পটিয়ায় হাজী আব্দুছ ছত্তার জামে মসজিদ উদ্বোধন

প্রকাশ: ২০১৯-০৫-০৬ ০১:০১:০৭ || আপডেট: ২০১৯-০৫-০৬ ০১:০১:০৭

 আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ : পটিয়া পৌর সদরের বৈলতলী রোড সংলগ্ন আলম শাহ সড়কে বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব আবুল বশর ও তার পরিবার বর্গের প্রচেষ্ঠায় একটি নতুন মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ নান্দনিক মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত সমাজসেবক হাজী আব্দুছ ছত্তার’র নামে। যার নামে হাজী আব্দুছ ছত্তার জামে মসজিদ। এটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রী সমমর্যাদা) আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি। এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব আবুল বশর। প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি। প্রধান বক্তা হিসেবে এতে গুরুত্বপূর্ণ ত্বকরীর করেন পীরে তরীক্বত আনজুমানে রজভীয়া নুরীয়া বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কাশেম নুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম সামশুজ্জামান চৌধুরী, পৌর আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, সাবেক মেয়র আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম। এতে প্রধান অতিথি বলেন মসজিদ আল্লাহর ঘর।

এ মসজিদে ইবাদতের মাধ্যমে সহজেই আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করা সম্ভব। তিনি মসজিদে আল্লাহর ইবাদতের জন্য গমনের পূর্বে অজু করা সহ দুনিয়াবী সকল চিন্তাধারা বাদ দিয়ে শুধুমাত্র আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে গমন করার আহবান জানান। তিনি বলেন, যখন মানুষ সবকিছু হারিয়ে নিরুপায় হয়ে যায়, তখন যদি আল্লাহর ঘরে উপস্থিত হয়ে আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন তাহলে সরাসরি আল্লাহ গায়েবী মদদে যেকোনো সমস্যা সমাধান করে দেন। তিনি এ মসজিদকে কেয়ামত পর্যন্ত জারী রাখতে এর সাথে জড়িতদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, যে বা যারাই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করুক না কেন, এটাকে কেবল মাত্র ব্যক্তি কেন্দ্রিক নয়, আল্লাহর ঘর হিসেবেই দেখতে হবে। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব আবুল বশর এ মসজিদে সকলকে আল্লাহর ঘর হিসেবে ইবাদত বন্দেগী করার আহবান জানিয়ে বলেন, মসজিদের মুসল্লীদের সব ধরণের সুবিধাদী তিনি নিশ্চিত করে যাবেন। এছাড়াও তার পরবর্তী ওয়ারিশগণও যাতে এ মসজিদের খেদমতে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখেন তিনি সেই লক্ষ্যে সকলকে উদ্বুদ্ধ করারও আশ্বাস দেন। পরে নামাজ, মিলাদ-কেয়াম শেষে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *