মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-১১ ২৩:৪৬:২৮ || আপডেট: ২০১৯-০৫-১১ ২৩:৪৬:২৮
মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু,নাইক্ষ্যংছড়িঃ ১১ মার্চ ১৯ ইং বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপাদমস্কক ভালো মানুষ। গ্রামে জন্ম নিয়েও আজ তিনি বিশ্বের কাছে অবিসংবাদিত নেতা। কেননা তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। তিনি না হলে এদেশ স্বধীন হতো না। বাংলাদেশ লাল সবুজের পতাকা পেতো না। গনতন্ত্র চর্চা করার সুযোগ হতো না। বাঙ্গালী জাতি আজীবন পরাধীন জাতি হিসেবে সকলের কাছে পরিচয় দিতে বাধ্য হতো। শনিবার (১১মে) বেলা সাড়ে ১১ টায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার সকল কলেজ,মাদ্রাসা,মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্থরের স্কুলে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে লেখা ২ সেট করে বই বিতরণ এবং উপজেলার ১১ ইউনিয়নের অধম্য মেধাবীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফর রহমান এ সবকথা বলেন।
তিনি তার জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আরো বলেন,তিনি একবার আহত অবস্থায় পরীক্ষা নিয়েও প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন । এর পর জীবনের প্রতিটি মুর্হুত তার কাছে ছিলো চ্যালেঞ্জ। তার মতে,একটু সচেতন হলেই শিক্ষার্থীরা ভালো করবে। ফলাফল ভালো হবে। ভালো মানুষ হওয়ার জন্যে ভালো পথে চলতে হবে তাদের সকলকে। আর তখনই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পাবে এদেশ। রামু উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌর চন্দ্র দে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,রামু ক্যান্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মেজর মো: আনিছুজ্জামান,রামু উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মো: সালাহ উদ্দিন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন।
উপজেলা প্রকৌশলী মো: জাকির হাসানের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,রামু উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাহবুবর রহমান,পিআ্ইও ফরহাদ হোসেন,রামু কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হক সহ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকগন। সভা শেষে উপজেলার রাজস্ব তহবিল থেকে ২৭৯ জন পিএসসির মেধাবীকে ৭শত টাকা করে, ১১৪ জন জেএসসি/জেডিসি মেধাবীদের এক হাজার টাকা করে,৩৬ জন এসএসসি/দাখিলের মেধাবীকে দেড় হাজার টাকা করে এবং এইচএসসি মেধাবীদের ২ হাজার টাকা করে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।
বৃত্তি পেয়ে শিক্ষার্থীরা দারুন খুশি। রামু উপজেলা এ সময়ে প্রথমবারের মতো মেধাবীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান প্রক্রিয়া চালু করে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফর রহমান নজির স্থাপন করে গেলেন বলেন দাবী করেন বৃত্তি পাওয়া ছাত্র কচ্ছপিয়া কে জি স্কুলের মেধাবী ছাত্র আনাস বিন খালেদের অভিভাবক সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ। তিনি প্রর্বতিত এ ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও যেন চালু থাকে এ দাবী করেন উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে। এভাবে অনুষ্ঠানে আসা তার মতো প্রায় অভিভাবকই একই দাবী তোলেন সংশ্লিষ্ঠদের কাছে।