মিজবাউল হক
চকরিয়া অফিস
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-৩০ ০০:১৭:০৮ || আপডেট: ২০১৯-০৫-৩০ ০০:১৭:০৮
চকরিয়া অফিস : চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগর এলাকায় কমিউনিটি সেন্টারের শতাধিক গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এসি ল্যান্ডের গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকার লোকজন জানায়, ২০০২ সালে ‘আদর্শ গ্রাম প্রকল্প’র অধিনে ৮০পরিবারের জন্য ইসলামনগর এলাকায় ১একর জমিতে বসতবাড়িও কমিউনিটি সেন্টার নির্মিত হয়। কিন্তু ইসলামনগর এলাকায় বর্তমানে ২ হাজারের অধিক পরিবার বসবাস করেন। এসব পরিবারের বিভিন্ন সামাজিক ও সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠান ওই কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্টিত হয়। এমন কী টিকাদান কেন্দ্র ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় এই কমিউনিটি সেন্টারে।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকাল ৯টার দিকে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে এসি ল্যান্ডের গাড়ি চালক মো: মহিউদ্দিন কমিউিনিটি সেন্টারের পেছনে খালি জায়গায় শতাধিক ম্যালেরিয়া গাছ কেটে বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা চালায়। এসময় এলাকার লোকজনের বাধার মুখে তারা পালিয়ে যায়। ইসলামনগর এলাকার বাসিন্দা মাস্টার জাকারিয়া, মো. ইলিয়াছ, আকতার হোসেন, হাবিব উল্লাহ, রায়হান , আবু তাহের, আবদুল আলিম অভিযোগ করে বলেন- ইসলামনগর এলাকায় সরকারিভাবে একটি কমিউনিটি সেন্টার নির্মিত হয়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও এলাকার সামাজিক অনুষ্ঠান এই কমিউনিটি সেন্টারে সম্পন্ন হয়। সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাহেদুল ইসলাম ওই কমিউিনিটি সেন্টারের খালী জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারাও রোপন করেন। কিন্তু চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)র গাড়ি চালক মহিউদ্দিন এসিল্যান্ডের প্রভাব খাটিয়ে কমিউনিটি সেন্টারের জায়গা দখলের চেষ্ঠা চালায়।
কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য আবু ইউসুফ মো: ইয়াহিয়া বলেন, সরকারিভাবে নির্মিত এই কমিউনিটি সেন্টারে এক একর জমি রয়েছে। এই সেন্টারটি এলাকার জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। এখানে অবৈধভাবে জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণের বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আশা করি প্রশাসন এলাকাবাসীর স্বার্থে বিষয়টি আমলে নেবেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত বলেন, আমার নাম ভাঙ্গিয়ে আমার গাড়ির ড্রাইভারে জমি জবর দখলের বিষয়টি সঠিক নয়। মুলত: জায়গাটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জায়গা। আমার ড্রাইভারের ভুমিহীন এক আতœীয় জমি বন্দোবস্তির জন্য আবেদন করেছিল। সেজন্য আমরা জমিটি পরিমাপ করতে গিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ওই এলাকার বাসিন্দারা অন্যায়ভাবে সরকারী জায়গায় পাকা দালান নির্মান শুরু করেছে। বিষয়টিও আমরা দেখছি। অচিরেই এসব অবৈধ পাকা দালান ভেঙ্গে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।