নীরব জসীম
ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর
প্রকাশ: ২০১৯-০৮-২৪ ০০:৫৫:২৭ || আপডেট: ২০১৯-০৮-২৪ ০০:৫৫:২৭
নিউজ ডেস্ক : দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও এবং তাদের কর্মকর্তারা রোহিঙ্গারা যাতে তাদের দেশে ফেরত না যান সেজন্য উস্কানি দিচ্ছেন এবং প্ররোচিত করছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
শুক্রবার রাত আটটায় চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ জেএমসেন হলে শ্রী কৃঞ্চের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত ধর্ম মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত ঘোষণার কিছু আগে এনজিওদের একটি অ্যালায়েন্স বিবৃতি দিয়েছেন মিয়ানমারে নাকি সেই পরিবেশ নাই। তারা এক্ষেত্রে আগেও রোহিঙ্গাদের প্ররোচনা দিয়েছেন এখনও দিচ্ছেন। রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থার সংকট আছে এটা ঠিক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, রোহিঙ্গাদের অনেকে উস্কানি দিচ্ছেন যাতে তারা ফেরত না যান।
অনুষ্ঠানে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। ১১ লাখ রোহিঙ্গা তখন বাংলাদেশে আসলেও এখন তা বেড়ে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানকার পরিবেশ মারাত্মক ভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় জনগণ এখন সংখ্যালঘু। এবং তারা প্রথমে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে নানাভাবে সহায়তা করেছিল। কিন্তু এখন রোহিঙ্গারা নানা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়েছে। ইয়াবাসহ নানা ধরনের পাচারের সাথে যুক্ত হয়েছে তারা। সেখানকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এজন্য ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারাও নানাভাবে বিরক্ত।
তিনি চীন ও ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সহায়তা করছে। তাদের সহায়তা ও উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার কারণেই কিন্তু রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। কিছু এনজিও তাদের উস্কানি দিচ্ছে যাতে তারা ফিরে না যায়।
তবে সহসাই আবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্সন শুরু হবে জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ফিরে যান সরকারের পক্ষ থেকে কুটনৈতিক তৎপরতা সহ নানা উদ্যোগ চলমান আছে। মিয়ানমারকেই মূলত বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। রোহিঙ্গাদের মাঝে যে আস্থার সংকট আছে সেটি দুর করার জন্য মিয়ানমারকেও এবিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে।