চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

জাহেদুল হক আনোয়ারা প্রতিনিধি

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে ও ইসিজি মেশিন বিকল

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-২৫ ২৩:৫১:৩২ || আপডেট: ২০১৯-০৮-২৫ ২৩:৫১:৩২

আনোয়ারা প্রতিনিধি :
আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি ৫ বছরের বেশি সময় ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। একই সঙ্গে এক বছর ধরে অচল হয়ে আছে ইসিজি মেশিনটিও।এ কারণে রোগীদের ভোগান্তির পাশাপাশি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এ অবস্থায় কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়,২০১৪ সালের প্রথম দিকে এক্স-রে মেশিনটি বিকল হয়ে যায়। ৫ বছর ধরে বিকল থাকা এক্স-রে মেশিনটি মেরামতের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। এ ছাড়া যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে এক বছর ধরে অচল হয়ে আছে ইসিজি মেশিনটি। এতে শুধু রোগী নয়,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদেরও পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান,পাঁচ বছর ধরে এক্স-রে মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অপারেটরও নেই দীর্ঘ দিন ধরে। এক্স-রে রোগী জয়নাব বেগম বলেন,হাসপাতালের মেশিন নষ্ট থাকায় ২০০ টাকা দিয়ে বাইরের ক্লিনিক থেকে এক্স-রে করতে হয়েছে।
ছেলে নিয়ে হাসপাতালে আসা ফয়েজ আহমেদ বলেন,‘খেলতে গিয়ে ছেলের হাত ভেঙ্গে গেছে। ডাক্তার বলেছেন ডিজিটাল এক্স-রে করাতে। কিন্তু হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে তো দূরের কথা,এনালগ মেশিনটিও নষ্ট। তাই বাধ্য হয়ে বাইরে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে যাচ্ছি।’
কথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আবু জাহিদ মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন জানান,হাসপাতালের এক্স-রে,ইসিজি মেশিন দীর্ঘ দিন ধরে বিকল। এক্স-রে মেশিনটি একেবারেই অকেজো হয়ে পড়েছে। তাই নতুন মেশিন বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা.আজিজুর রহমান ছিদ্দিকী বলেন,ওই হাসপাতালে নতুন এক্স-রে ও ইসিজি মেশিন দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত,আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ২০০-২৫০ রোগী আসেন। এরমধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক রোগীর এক্স-রে,ইসিজি করাতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *