চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

admin

টেকনাফে রোহিঙ্গা ডাকাতের হানা : ষষ্ঠ শ্রেণীর দুই কিশোরী অপহরন

প্রকাশ: ২০১৯-১০-২০ ১৫:৪৬:২২ || আপডেট: ২০১৯-১০-২০ ১৫:৪৭:২৪


আব্দুল্লাহ মনির,টেকনাফ :
টেকনাফে গহীন পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিমসহ তার সহযোগীরা সক্রিয় হয়ে আবারও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড সংঘটিত করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

জানা যায়, ২০ অক্টোবর ভোর রাত আড়াইটার দিকে হাকিম ডাকাতের নেতৃত্বে টেকনাফ উপকুলীয় বাহারছড়া ইউনিয়ন শীলখালী মাঠপাড়া এলাকার হেডম্যান আবুল কালামের বসত বাড়ীতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমান স্বর্ন-অলংকার নগদ টাকা লুট করে এবং যাওয়ার সময় আবুল কালামের ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া দুইজন কিশোরি মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরন হওয়া দুই মেয়ে শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানাগেছে।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুন কাদের জানান, রাতে খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশকে খবর দেয়
এরপর রাত ৩ টার দিকে শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে বেশ কয়েক ঘন্টা অভিযান চালায়।

হেডম্যান আবুল কালাম জানান, রাতে হঠাৎ করে রোহিঙ্গা ডাকাত হাকিমের নেতৃত্বে একদল ডাকাত দল আমার বাড়িতে রবিবার ভোর রাতে এসে প্রথমে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢোকার পর আমাকে কিল ঘুসি মারে অস্ত্র ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা পর।চলে যাওয়ার সময় আমার দুই স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ও নিয়ে যায়।

কিন্তু অপহরন হওয়া দুই স্কুল ছাত্রীকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

উল্লেখ্যঃ-শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত এই আব্দুল হাকিম গত কয়েক বছরে টেকনাফ উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় মাদক পাচার, মানুষ হত্যাসহ নানা প্রকার অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।

তাকে আটক করার জন্য স্থানীয় আইন-শৃংখলা বাহীনির সদস্যরা বেশ কয়েকবার সাঁড়াশী অভিযান চালিয়েও তাকে আটক করতে পারিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে হাকিম ডাকাতের ভাই ও স্ত্রী সহ বেশ কয়েকজন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

অপহরন ও ডাকাতি হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বাহারছড়া পলিশ ফাঁড়ির তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান,ঘটনাটি শুনে সাথে পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থল পৌছে পাহাড়ী এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন অপহরন হওয়া দুই মেয়েকে উদ্ধার করার জন্য আমাদের অভিযান এখনো অব্যাহত আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *