চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

হিল্লোল দত্ত আলীকদম, বান্দরবান প্রতিনিধি

আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাবরেটরী টেকনোলজীষ্ট মাহাফুজুর রহমানের যত কান্ড!

প্রকাশ: ২০১৯-১০-২২ ০০:২৪:০২ || আপডেট: ২০১৯-১০-২২ ০০:২৪:০৯

হিল্লোল দত্ত,আলীকদম প্রতিনিধি :

বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের ল্যাবরেটরী টেকনোলজীষ্ট মাহাফুজুর রহমান সরকারী হাসপাতালের ল্যাবে বসে যতসব কান্ড ঘটিয়ে চলেছেন। কোন খুটির জোরে তিনি এসব কর্মকান্ড ঘটিয়ে চলেছেন তা সবারই অজানা।

সম্প্রতি নাম প্রকাশে অনিশ্চুক একজন রোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় ল্যাব টেকনোলজীষ্ট মাহাফুজুর রহমান অফিস টাইমে টোকেনের মাধ্যমে বাইরের ঔষধের দোকান আহমদিয়া মেডিকেল হলের দোকানদারের সাথে যোগসাজসে পরীক্ষার ডিভাইসসহ ইনজেকশনের সিরিঞ্জ রোগীদের ক্রয় করিয়ে এনে সরকারী হাসপাতালের ল্যাবে বসে পরীক্ষার রির্পোট দিচ্ছেন। এমনকি তিনি রোগীদেরকে যে টোকেন দিচ্ছেন তাতে

রিয়েজেন্ট ও ডিভাইসের মূল্যটাও নির্ধারিত ভাবে লিখে দেন। এমনকি তিনি আউটডোরের রোগীর টিকিটে ডাক্তারের লিখে দেওয়া পরীক্ষার নিচে এক্সট্রাভাবে পরীক্ষা লিখে দিয়ে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাসিল করেন। এসময় রোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অাউটডোরের চিকিৎসককে রোগীর ব্যবস্থাপত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা লিখেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান এ পরীক্ষা আমি এডভাইস করিনি কে করেছে সেটাও বলতে পারবো না।

বিষয়টি অনুসন্ধানে নেমে উঠে আসে আরো তথ্য, যে ঔষধের দোকানে মেডিকেল টেকনোলজীষ্ট মাহাফুজুর রহমান বসেন, অফিস টাইমে রোগীদেরকে ঐ দোকানেই পাঠান রিয়েজেন্ট ও ডিভাইস কেনার জন্য। উক্ত দোকানের ল্যাবেই তিনি অফিস টাইমের পর পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন।পরীক্ষার এসব ডিভাস ও রিয়েজেন্ট তিনি নিজে ক্রয় করে এনে উক্ত দোকানে সংরক্ষন করে রাখেন আর অফিস টাইমে রোগী পাঠিয়ে সেগুলো ক্রয় করান।

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে ল্যাব টেকনোলজীষ্ট মাহাফুজুর রহমানকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে অালীকদম স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা মো: শহীদুর রহমানকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে ব্যস্ত আছেন বলে জানান,এবং পরবর্তিতে ফোন করলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বান্দরবান জেলার সিভিল সার্জন অংসুইপ্রু মারমা বলেন, হাসপাতালে অধিকাংশ পরীক্ষা নিরীক্ষা ফ্রি,অল্প কিছু পরীক্ষার ফি নির্ধারিত করা অাছে আর সেই পরীক্ষার ফি গুলো সরকারী কোষাগারে জমা হয়। বাইরে থেকে পরীক্ষার রিয়েজেন্ট কিনিয়ে এনে সরকারী ল্যাবে পরীক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই, এটা কারো ব্যাক্তিগত ল্যাব না । অতিসত্বর এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত টিম পাঠানো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *