এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০১৯-১০-৩১ ১৭:১৮:৫১ || আপডেট: ২০১৯-১০-৩১ ১৭:১৯:০০
মিরসরাই প্রতিনিধি :
মিরসরাইয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ ও বসুন্ধরা সিমেন্ট আয়োজিত নির্মাণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জোরারগঞ্জ বাজারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ‘শ্বৈল্পিক নির্মাণ, রাজমেস্ত্রীর অবদান’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় উপজেলার শতাধিক কন্ট্রাকদার (ঠিকাদার), রাজমেস্ত্রী অংশগ্রহণ করেন।
বসুন্ধরা সিমেন্টের চট্টগ্রাম উত্তরের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ মামুন খানের সঞ্চালনায় বসুন্ধরা সিমেন্টের ডিলার বারইয়ারহাট মক্কা স্টীল কর্পোরেশনের স্বত্তাধিকারী মনসুর আহমেদ মুজিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বসুন্ধরা সিমেন্টের চট্টগ্রাম ইউং হেড মোহাম্মদ আলী খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আলী খান বলেন, ‘বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বড় বড় প্রকল্পগুলো নির্মাণে বসুন্ধরা সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী শহর অংশে ৬ লেইন বিশিষ্ট ফ্লাইওভারও বসুন্ধরা সিমেন্ট দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে সকল সিমেন্ট রয়েছে তার মধ্যে বসুন্ধরা সিমেন্ট গুণগত মানের দিক দিয়ে অনেক উন্নত। বাংলাদেশের বিদ্যমান সিমেন্টগুলো ৩ হাজার ৭’শ ৫০ পিএসআই হলেও বসুন্ধরা সিমেন্ট ৫ হাজার ৭’শ পিএসআই এ তৈরী। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বসুন্ধরা সিমেন্ট তৈরী যা বাংলাদেশী ব্র্যান্ড; যেখানে হাজারো বেকার লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বসুন্ধরা সিমেন্ট অন্যতম অংশীদার।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভবন নির্মাণে যেমন ইট, বালু, পাথর, সিমেন্ট প্রয়োজন তেমনি নির্মাণ কাজের গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য প্রশিক্ষিত রাজমেস্ত্রী প্রয়োজন। রাজমেস্ত্রীদের শ্রমের বিনিময়ে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন তরান্বিত হচ্ছে। অথচ তারা সব সময় অবহেলিত থাকে। রাজমেস্ত্রীদের প্রশিক্ষিত করার জন্য বসুন্ধরা সিমেন্ট বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কর্মক্ষেত্রে কোন রাজমেস্ত্রী যদি হতাহত হন তাহলে তাদের চিকিৎসার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় পাশে থাকবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বারইয়ারহাটপৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সমর মজুমদার বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়াররা যদিও ভবনের ড্রয়িং করেন কিংবা কাজের তদারকি করেন এক্ষেত্রে ভবন তৈরীতে মূল ভ‚মিকা পালন করেন রাজমেস্ত্রীরা। কাজের গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য রড, বালু, পাথর, সিমেন্ট ও পানির গুণগত মান নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। কাজের সময় রাজমেস্ত্রী ও সহকারীদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করার জন্য তিনি আহ্বান করেন।’
উপজেলা নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাজারের বিদ্যমান সিমেন্টের মধ্যে বসুন্ধরা সিমেন্ট গুণগত মানের দিক দিয়ে অনেক উন্নত। টেকসই নির্মাণে বসুন্ধরা সিমেন্টের বিকল্প নেই।’
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বসুন্ধরা সিমেন্টের চট্টগ্রাম জেলা বিক্রয় কর্মকর্তা এসএম মামুন চৌধুরী, প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন। এসময় নির্মাণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কন্ট্রাকদার (ঠিকাদার), রাজমেস্ত্রীদের প্রশিক্ষণ দেন ইঞ্জিনিয়ার মারুফ বিল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান। আলোচনা সভা শেষে কন্ট্রাকদার ও রাজমেস্ত্রীদের অংশগ্রহণে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ড্র শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।