admin
প্রকাশ: ২০২০-০২-০৬ ০০:৫৩:৫৪ || আপডেট: ২০২০-০২-০৬ ০০:৫৪:০২
আব্বাস হোসাইন আফতাব, রাঙ্গুনিয়া :
মুজিববর্ষে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহন করেছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎসেবা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে রক্ষণাবেক্ষনের এক মাসের কাজ ১০০ জন কর্মী দিয়ে একদিনেই শেষ করেছেন কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাঙ্গুনিয়া-২ (লিচুবাগান) উপকেন্দ্রের ৭১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ফিডারের (৫ নম্বর ফিডার) শতভাগ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ করা হয়।
দুপুরে চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের লিচু বাগান এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সমিতির প্রচুর কর্মচারি-শ্রমিক বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটিগুলোর সমাধান করছেন। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কর্মকর্তারা।
এসময় জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর মহাব্যবস্থাপক (জেনারেল ম্যানেজার) মোল্লা আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, “ এই এলাকায় বিদ্যুতের রক্ষণাবেক্ষনের কাজ করতে এক মাসের বেশি সময় লাগতে পারে। সেখানে বেশি কর্মী কাজ করে ত্রুটিগুলো একদিনে শেষ করছেন।
চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এই প্রথম মুজিববর্ষ উপলক্ষে এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর আগে রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলায় শুরু করা হয়েছিল। কাজটি ইতিমধ্যেই সারা দেশে প্রশংসিত হয়েছে। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য অনুকরণীয় উল্লেখ করে এই কার্যক্রম দেশের সব সমিতিকে অনুসরণ করার জন্য বলেছেন পল্লী বিদ্যুৎতায়ন বোর্ড।
রাঙ্গুনিয়া জোনাল কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) মোখলেছুর রহমান বলেন, ১০০ জন কর্মী ১৬ টি দলে ভাগ হয়ে রাঙ্গুনিয়ার ৭১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ফিডারের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে করেছেন। ফলে লিচুবাগান, দোভাষী বাজার, বনগ্রাম, ইকোপার্ক, জুমপাড়াসহ চন্দ্রঘোনা এলাকার গ্রাহকরা উপকৃত হবেন।
রাঙ্গুনিয়ায় ইতিমধ্যেই শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন হয়েছে। মুজিববর্ষে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে একদিনেই সব কাজ শেষ করা হয়।
রাঙ্গুনিয়া জোনাল অফিসের এজিএম (সহকারি মহাব্যবস্থাপক) (অপারেশন এন্ড মেইনটেইন্যান্স) জুয়েল দাশ বলেন, বুধবার সকাল থেকে দিনভর এ রক্ষণাবেক্ষণ কাজে কর্মকর্তা, সুপারভাইজার, প্রকৌশলী, লাইনম্যান ও দক্ষ শ্রমিকরা অংশ নেন।
রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করার ফলে দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। যেকোনো দুর্যোগের পর বিদ্যুৎ দ্রুত চালু করা সম্ভব হবে। ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি ও তার পরিবর্তন খুঁটির কাছাকাছিতে বিকল্প খুঁটি স্থাপনের কারণে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে।”
একদিনের বৈদ্যুতিক রক্ষণাবেক্ষন কাজে সহযোগিতা করেন ফটিকছড়ি উপজেলার আজাদী বাজার জোনাল অফিসের ডিজিএম (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) মো. সরওয়ার জাহান, ডিজিএম (কারিগরি) মো. শাহ আলম, রাঙ্গুনিয়া পল্লী বিদ্যুতের এলাকা পরিচালক শিবু চন্দ।