চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

কচ্ছপিয়ায় দোকান ঘর দখলে নিতে হামলা : লুট ও ভাংচুরের অভিযোগ

প্রকাশ: ২০২০-০২-০৮ ১১:৪৩:৪৯ || আপডেট: ২০২০-০২-০৮ ১১:৪৪:০৩

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কুঃ


রামু উপজেলা কচ্ছপিয়ায় অসহায় এক মুদি দোকানে হামলা এবং ভাংচুর করে টাকা লুট ও মালামাল ক্ষয়ক্ষতি করেছে নাইক্ষ্যংছড়ির দৌছড়ি ইউনিয়নের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মৌলানা নুরুল হক ও তার ছেলেরা।

খবর পেয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাড়িঁর আইসি সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে দোকানদার তৌহিদুল ইসলাম পুলিশের পরার্মশে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ীতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল (৭ ফেব্রুয়ারী) শুক্রবার সকাল ১১ টায় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারের ব্রীজের পশ্চিম পার্শস্থ ফাক্রিকাটা এলাকায়।

দোকানদার তৌহিদুল ইসলাম জানান,তার এ দোকানটি ভাড়া নেন গ্রামের মৃত মৌলভী নূর আহমদের ছেলে ব্যবসায়ী হামিদুল হকের কাছ থেকে। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তিনি দোকানটি করে আসছেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ প্রধান শিক্ষক মৌলানা নুরুল হকের নেতৃত্বে একদল লোক এসে তার দোকানে হামলা শুরু করে। লোহার রড আর লাটি নিয়ে তার দোকানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভাংচুর করে ক্যাশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার লুট করে এবং ক্ষয়-ক্ষতি করে বিভিন্ন খাবার যথাক্রমে দামি সিগারেট,বিস্কুট, হাতে তৈরী নাস্তা ও অন্যান্য মালামালসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার।

সে আরো জানায়,তার আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এর পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

এ বিষয়ে হামিদুল হক,মোহাম্মুদুল হক ও জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান,হামলাকারী মাষ্টার নুরুল হক ও তার ছেলেরা তাদের আত্মীয়। তারা দিন দুপুরে শতশত লোকজনের সামনে দোকানটি লুটপাট ও ভাংচুর করেন। আমারা এ দোকানের জমির অংশীদার এবং তৌহীদুল ইসলামকে আমরা ভাড়া দিয়েছি যা এলাকার সবাই জানে।

ঘটনাস্থলে আসা গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনর্চাজ আনিছুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান,দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে ঠিকই। কিন্তু লুটপাট তো কেউ করতে পারে না।
এভাবে একজন নিরীহ দোকানদারের দোকানে লুটপাট কারীদের ক্ষমা নেই। আগে এটির বিচার হতে হবে।

পরে জমির মালিকানার বিচার। অভিযুক্ত মৌলানা নুরুল হক থেকে জানতে চাইলে তিনি ভাংচুর ও টাকা লুটের কথা অস্বীকার করে বলেন,এ দোকান ঘরটি আমার জমি উপর করেছি।

দোকান দার হচ্ছে আমার ভাড়াটিয়া ব্যক্তি। এ দোকান ঘরের বিষয়ে ভাড়ার চুক্তিপত্র আছে। হামিদুল হক ও তার ভাইয়েরা আমার বড় ভাইয়ের ছেলে আমার কাছে তারা কোন জমি পাবে না। তারা আমার দোকান দখল করে রাখায় আমি দোকান ঘরটি তালা মেরেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *