admin
প্রকাশ: ২০২০-০২-০৮ ২৩:২২:৩৫ || আপডেট: ২০২০-০২-০৮ ২৩:২২:৪৩
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় ‘মা ও শিশুর পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন প্রকল্প’র কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার পেকুয়া জিয়াউর রহমান কলেজ ও বিএমআই কলেজের হলরুমে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ১ঘন্টার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরীস্থ বেসরকারী সংস্থা এসএআরপিভি (সোসাল এ্যাসিস্ট্যান্স এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন ফর দি ফিজিক্যালি ভালনারেবল)’র তত্ত্বাবধানে এ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এসএআরপিভি’র সুত্রে জানা যায়; এসএআরপিভি’র মাধ্যমে ডাব্লিউএফপি ও এসিএফ’র অর্থায়নে পেকুয়ায় মা ও শিশুর পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৮৪ জন কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে।
ওই ৮৪টি পদের বিপরীতে শনিবারের পরীক্ষায় ৪৯৮ জন প্রার্থী (নারী) অংশ নেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে মোট ৬০ নাম্বারের ১ ঘন্টার এ পরীক্ষা শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ ও বিএমআই কলেজের হল রুমে এ পরীক্ষাটি শান্তিপূর্ন ও সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন, এসএআরপিভি’র আঞ্চলিক পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত, এসএআরপিভি’র নিউট্রেশন প্রধান মহসিন হোসেন, টিসিএন নুরুন্নবী ছিদ্দিকী, আলী হোছাইন, আদনান, ইয়াছমিন সুলতানা, নুরুল আমিন বাহাদুর প্রমুখ।
শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষাটি সম্পন্ন হওয়ায় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি জাফর আলম বিএ (অনার্স)এমএ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, পুষ্টি কার্যক্রমটি চালু হলে পেকুয়ায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে।
এসএআরপিভি’র আঞ্চলিক পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত বলেন এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তিটি পেকুয়ার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদে, সরকারী হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে ব্যাপক প্রচার করায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যায়।
এতে এলাকার যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।